ঢাকাSaturday , 16 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রিয়ালের নিষেধাজ্ঞার পেছনে জিদান!

Link Copied!

zidanস্পোর্টস ডেস্ক : শিরোনামটা দেখে আতকে উঠতে পারেন অনেকে। কিন্তু বাস্তবতা আসলে এমনই। দিন দুয়েক আগেই রিয়াল মাদ্রিদের নতুন ফুটবলার কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। আর এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে দায়টা অনেকাংশে জিনেদিন জিদানেরই। কম বয়সী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করায় আরোপ করা হয় এই নিষেধাজ্ঞা। ফিফার তদন্তে যেসব ফুটবলার কেনায় রিয়ালকে দায়ী করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছেন জিদানের চার পুত্রও। ফিফার তালিকায় নাম থাকলেও জিদানপুত্রদের নিয়ম মেনেই দলে নিয়েছে ক্লাব। কারণ তারা বাবা এমন সময়ে ক্লাবে যোগ দিয়েছেন যখন তার বাবা ওই ক্লাবে কর্মরত ছিলেন।
রাফায়েল বেনিতেজের বিদায়ের পর রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক ফরাসি ফুটবলার জিদান। যিনি খেলোয়াড়ী জীবনে অর্ধযুগ কাটিয়েছেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। আর একাডেমিসহ কোচ হিসেবেও কাজ করছেন বছর পাঁচেক। মৌসুমের মাঝামাঝিতে হয়ে গেলেন দলের প্রধান কোচ। গণমাধ্যমে তাই সংবাদ বেড়িয়েছে যে এক সময় রিয়ালে থাকবে পাঁচ জিদান। যার মধ্যে রয়েছে কোচ জিদান ও তার চার ছেলে।
সেই পথে স্প্যানিশ জায়ান্টরা শুরুতেই একটা ধাক্কা খেল। ফিফা ৩৯ ফুটবলারের তালিকা ধরে রিয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছে। সেই ফুটবলারদের তালিকায় রয়েছেন জিদানের চারপুত্রও। রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাবের পক্ষ থেকেই এমনটি নিশ্চিত করা হয়েছে। ফিফার এই তালিকায় আটজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে উপজীব্য করে তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তের ফল হিসেবেই রিয়াল মাদ্রিদ ও তার অপর নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ওপর দুই বছরের জন্য খেলোয়াড় কেনাবেচায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যদিও এখনো আপিলের সুযোগ পাচ্ছে ক্লাবটি।
ফিফা বলছে, ২০০৫ সাল থেকে শুরু করে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দলবদলের ক্ষেত্রে ক্লাবটি বেশ কিছু বিধি ভঙ্গ করেছে। যার মধ্যে প্রধানত রয়েছে বিধিবহির্ভূতভাবে কম বয়সী খেলোয়াড়কে দলে চুক্তিবদ্ধ করেছে। সেই আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই ৩৯ ফুটবলারের নাম প্রকাশ করে রিয়াল। যাতে ওঠে আসে জিদান পুত্র চতুষ্টয়ের নামও।
অবশ্য জিদানের বড় দুই ছেলে এনজো ও লুকা রিয়ালে যোগ দেন ২০০৪ সালে। যা হয়েছে ফিফার তদন্তসীমার পূর্ববর্তী সময়ে। এছাড়া থিও এসেছে ২০১০ সালে এবং এলিয়াজ ২০১৩ সালে। জিদান ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত থাকার সময়েই চার ছেলেকে নিয়ে এসেছেন ক্লাবে। তাই তাদের ক্লাবে যোগ দেয়া নিয়ে আইনত সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
কম বয়সী খেলোয়াড় নেয়ার বিষয়ে রিয়াল জেনারেল ডিরেক্টর জোসে এ্যাঞ্জেল সানচেজ বলেন, ‘একজন খেলোয়াড়কে দলে নেয়া হয়নি এ কারণে যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসতে পারেনি। বাকি একজনের ছাড়পত্র আছে আমাদের কাছে। একজন খেলোয়াড়েরর রেজিস্ট্রেশন প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি করতে অস্বীকৃতি জানিযেছে। সে এখন কেবল ট্রায়ালের জন্য রিয়াল মাদ্রিদে রয়েছে। দুজন ভেনেজুয়েলার খেলোয়াড়ের নাম আছে ৩৯ জনের মধ্যে। একজন শুধু মাদ্রিদকে প্রীতি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করে।।’
ফিফার তদন্ত তালিকায় থাকা কমবয়সী খেলোয়াড়দের দলে নেয়ার ব্যাপারে এসব যুক্তি তুলে ধরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। মূলত প্রত্যেক খেলোয়াড়ের যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কাজের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই তারা রেজিস্ট্রেশন করেছে বলে তারা উল্লেখ করছেন। এসব যুক্তি দেখিয়ে ফিফার নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানিয়েছে ক্লাবটি।