নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘মর্যাদা’র জন্য শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সেশনজটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষক নেতা, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের কলা ভবন সংলগ্ন বটতলায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে চমৎকার আইডিয়া রয়েছে। আমরা তাদের ক্লাস এর ক্ষতি পুষিয়ে দেব।’ চলমান সঙ্কটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানেরও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনের ক্ষতি বিষয়ে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারটা নিয়ে কনর্সান। আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের ক্ষতির সম্মুখীন করতে চাই না। শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যহত না হয়। আমরা আমাদের ক্লাস রুমে ফেরত যেতে চাই। আমাদের শিক্ষকরা অনেক কষ্ট করে সেশনজট দূর করেছে। আমরা চাই না আবার সেশনজট ফিরে আসুক। এজন্য আমরা দ্রুত সমাধান চাই।’
আন্দোলন চলবে কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি যৌক্তিক। আলোচনা-আন্দোলন এক সাথে চলবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সদস্য ড. এ জে এম শফিউল আলম ও ড.নিজামুল হক ভূঁইয়া।
প্রসঙ্গত, অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোতে শিক্ষকদের পদমর্যাদা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতি চলছে। কর্মবিরতির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু কোর্স ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ক্লাস, মিডটার্ম পরীক্ষা ও সান্ধ্যকালীন কোর্সগুলো বন্ধ থাকছে। গত ২ জানুয়ারি ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা।

