স্পোর্টস ডেস্ক : লর্ডসে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে পুনরায় পাকিস্তান দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ আমির। এ নিয়ে অনেক নাটকই হয়েছে। মঞ্চটি তৈরি করেছিলেন তারই সতীর্থ মোহাম্মদ হাফিজ। এরপর হাফিজের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক আজহার আলীও। এমনকি আমিরের সঙ্গে অনুশীলন করতেও আপত্তি জানিয়েছিলেন তারা।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাহরিয়ার খানের হস্তক্ষেপে আপাতত এ নাটকের যবনিকাপাত ঘটেছে। তবে দেশটির বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটারদের ধারণা, এই নাটক ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে। দলে আমিরকে ঠিকঠাকভাবে চালানো পিসিবির সামনে বড়সড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই চ্যালেঞ্জের শুরু নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে।
এ কথা অনস্বীকার্য যে, আসন্ন সিরিজে কিউই সাংবাদিকদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকছেন আমির।২৩ বছর বয়সী পেসারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে ফায়দা লুটতে চাইবেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। যা বুঝতে বাকি নেই পাকিস্তানের ক্রিকেট কর্তাদের। তাই এ বিষয়ে আগেভাগেই সতর্কতা অবলম্বন করছেন তারা। আমিরের ওপর চাপ কমাতে পাকিস্তান দলের ম্যানেজার ইন্তিখাব আলম যেমন জানিয়েছেন, নিউজিল্যান্ডে আমিরের ওপর বিশেষ কোনো বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে পাকিস্তানের মিডিয়াকে ইন্তিখাব আলম বলেন, ‘যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রস্তুত। আমিরের ওপর বিশেষ কোনো বাধ্যবাধকতা থাকছে না।’
আমিরের কাছে পিসিবির প্রত্যাশা, অন্যান্য খেলোয়াড়দের মতো তিনিও বোর্ডের আচরণ বিধি মেনে চলবেন। টিম ম্যানেজমেন্টের অজ্ঞাতসারে একাকী হোটেল ত্যাগ কিংবা কোনো পার্টিতে যেতে বারণ করা হয়েছে তাকে।
এই নিয়ম শুধু আমির নয়, গোটা পাকিস্তান টিমের ওপর প্রযোজ্য। যা ইন্তিখাব আলমের ভাষায় স্পষ্ট, ‘আমরা আমিরকে বলেছি, আমাদের না জানিয়ে একাকী যেন হোটেল ত্যাগ না করে। কোথাও যেতে হলে টিম ম্যানেজমেন্টকে জানাতে হবে। অন্যান্য ক্রিকেটারদের ব্যাপারেও একই নিয়ম থাকছে। আশা করছি, আমির এগুলো মেনে চলবে।’

