ঢাকাFriday , 8 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টঙ্গীতে লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

Link Copied!

Tongiগাজীপুর প্রতিনিধি : টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় বৃহত্তম জুমার নামাজ। এতে টঙ্গী ও আশেপাশের এলাকাসহ দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ মুসল্লি অংশ নেন।
গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের বৃহত্তম সম্মেলন বিশ্ব ইজতেমা। শুক্রবার আমবায়ানের মাধ্যমে প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে এর মূল আনুষ্ঠানিকতা। বাদ ফজর আম বয়ানে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান।
দুপুর দেড়টার পর জুমার নামাজে ইমামতি করেন কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ জোবায়ের। ইজতেমায় যোগদানকারী মুসল্লি ছাড়াও জুম্মার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা-গাজীপুরসহ আশে-পাশের এলাকার লাখ লাখ মুসল্লি ইজতেমাস্থলে হাজির হয়। মূলত ভোর থেকেই রাজধানীসহ আশে-পাশের এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠের দিকে মানুষের ঢল নামে। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমা মাঠ উপচে আশে-পাশের খোলা জায়গাসহ বাসা বাড়ির ছাদেও অবস্থান নিতে দেখা গেছে মুসল্লিদের। নামাজ শেষে চোখের জলে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চেয়ে বিশ্ব উম্মার মঙ্গল কামনায় মোনাজাতে অংশ নেয় মুসল্লিরা।
পুলিশের ব্রিফিং : ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ কন্ট্রোলরুমে এক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ জানান, ইজতেমায় কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই, তবে নাশকতারোধে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা পরিকল্পনা রয়েছে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিদেশি নিবাসে আর্চওয়ে নির্মাণ, সিসিটিভিতে পর্যবেক্ষণ ও আশেপাশে সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করছে।
তবে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না জানিয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান জানান, নিরাপত্তার ছক সাজাতে সব সময় খারাপ দিকটি চিন্তা করেই করা হয়। আর এ লক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
Tonig-2ইজতেমায় ৩ মুসল্লির মৃত্যু : টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় প্রথম ধাপে অংশ নেয়া তিন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তারা মারা যান। নিহতরা হলেন- সিলেটের গোপালগঞ্জ উপজেলার রনকালি এলাকার জয়নাল আবেদীন , কুড়িগ্রমের উলিপুর উপজেলার চকলাপাড় গ্রামের নূরুল ইসলাম ও নাটোরের সিংড়া উপজেলার বটিয়া গ্রামের ফরিদ উদ্দিন। ইজতেমার মুরুব্বিদের দেয়া তথ্যমতে, ১৯৪৬ সালে প্রথম কাকরাইল মসজিদে ইজতেমার আয়োজন শুরু করা হয়। তারপর ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রামের হাজি ক্যাম্পে ও ১৯৫৮ সালে নারায়নগঞ্জের সিদ্ধরগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর লোকসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ১৯৬৬ সালে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বর্তমানস্থলে স্থানান্তর করা হয়েছে। পরে সরকারিভাবে তুরাগ তীরের ১৬০ একর জমি স্থায়ীভাবে ইজতেমার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়।