ঢাকাTuesday , 3 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যাত্রীর পছন্দমতো গন্তব্যে যাচ্ছে না সিএনজি চালকরা

Link Copied!

cngনিজস্ব প্রতিবেদক : সিএনজি অটোরিক্সার মালিক-চালকদের কাছে যাত্রীরা অসহায় বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির নেতারা। তারা বলেছেন, রাজধানীতে অধিকাংশ সিএনজি অটোরিক্সা যাত্রীদের পছন্দের গন্তব্যে যেতে রাজি হয় না।
নিম্ন আয়ের মানুষের বাহন হিসেবে পরিচিত সিএনজি চালিত অটোরিক্সার ভাড়া গত ১ নভেম্বর থেকে মালিক-চালকদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারণের পরও এই বাহনে চলছে নৈরাজ্য। মঙ্গলবার যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযোগ করা হয়েছে।
তারা আরও বলেছেন, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসে পরিচালিত নামমাত্র খরচে অপারেশন সুবিধার এই বাহনটির মালিক ছাড়া চালক-যাত্রী কেউ লাভবান হচ্ছেন না।
যাত্রী তথা সাধারণ মানুষের মতামত সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে মালিক-চালকদের নিয়ে তাদের মর্জিমতো ভাড়া ও দৈনিক জমা নির্ধারণের পর ‘কেমন চলছে অটোরিক্সা?’ তা পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য পর্যবেক্ষণ উপ-কমিটির ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত দুই দিন ধরে ঢাকা মহানগরী ঘুরে বেড়িয়েছেন। পল্টন, প্রেসক্লাব, শাহবাগ, গুলিস্তান, মতিঝিল, ফার্মগেট, মহাখালী, মিরপুর, উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালসহ বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন তারা।
এসব এলাকায় প্রায় ২২৫টি অটোরিক্সা চালক ও ২৪৭ জন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এতে তারা দেখতে পেয়েছেন, ১৯৮টি সিএনজি অটোরিক্সা মিটারে চলাচল করছে। বাকি ২৭টি অটোরিক্সার ১০টিতে কোনো মিটার পাওয়া যায়নি এবং ১৭টি অটোরিক্সা চালক বা যাত্রীর ইচ্ছায় চুক্তিতে চলাচল করতে দেখতে পেয়েছেন।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘পর্যবেক্ষণকালে আমরা জানতে পেরেছি যাত্রীদের চাহিদার তুলনায় এই বাহনের সংখ্যা কম। ফলে চালকদের ইচ্ছার কাছে যাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। তাই কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি ভাড়া দিয়েও গোপন চুক্তিতে যাতায়াতে বাধ্য হচ্ছে যাত্রীরা।’
অতিরিক্ত দৈনিক জমা ও আনুসঙ্গিক খরচের পুরোটাই যাত্রীদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন বলে জানান তিনি।
এছাড়াও পর্যবেক্ষণে বেরিয়ে এসেছে, মিটার চালু করে চলাচল করলেও অধিকাংশ অটোরিক্সা গোপনে চুক্তিতে চলাচল করছে। সরকার নির্ধারিত বর্ধিত দৈনিক জমা ৯০০ টাকা হলেও সিংহভাগ অটোরিক্সার মালিকরা ইচ্ছে মতো জমা আদায় করছেন বলে চালকরা জানিয়েছেন। ৯২ শতাংশ যাত্রীর অভিযোগ অটোরিক্সা চালকরা এখনো যাত্রীদের পছন্দের গন্তব্যে যেতে রাজি হন না।
উল্লেখ্য, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার দিন নতুন বর্ধিত ভাড়া কার্যকর করায় ওই দিন মিটার জটিলতাসহ নানা কারণে অর্ধেকেরও বেশি অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে পরীক্ষার্থীসহ নগরীর সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে। যা যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণেও উঠে আসে।