ঢাকাMonday , 2 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এবার আইসিসি থেকে বিতাড়িত হচ্ছেন শ্রীনি

Link Copied!

N-sriniস্পোর্টস ডেস্ক : ভারতীয় ক্রিকেট থেকে আগেই বিতাড়িত হয়েছিলেন। এবার আইসিসি থেকেও বিতাড়িত হতে হচ্ছে নারায়নস্বামী শ্রীনিবাসনকে। আইসিসি চেয়ারম্যানের পদে শ্রীনিকে সরিয়ে বসতে যাচ্ছেন বিসিসিআইর নতুন প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহর।
আগামী ৯ নভেম্বরই নির্ধারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আইসিসিতে শ্রীনির ভাগ্য। মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য বিবিসিআই’র বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। বিসিসিআই থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর শ্রীনিবাসনের সবচেয়ে শক্তির জায়গা ছিল আইসিসি। এবার সেটাও হারাতে চলেছেন তিনি।
শুধু শ্রীনির ব্যাপারেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওই সভায়। পাশাপাশি কমেন্টেটর হিসেবে বোর্ডের চাকরিও খোয়াতে চলেছেন রবি শাস্ত্রী, সুনিল গাভাস্কর এবং লক্ষ্ণণ শিবারামকৃষ্ণান।
জগমোহন ডালমিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয়বার বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হন মনোহর। আগামী বছর ভারতে টি২০ বিশ্বকাপের কথা ভেবে বোর্ডকে ঢেলে সাজাতে চান তিনি।
২০১৪ আইসিসি চেয়ারম্যান পদে দু’ বছরের জন্য বসেছিলেন শ্রীনি; কিন্তু বোর্ডে ক্ষমতা হারানোর পর আইসিসি’র চেয়ারম্যানের পদও হারাতে চলেছেন তামিল ব্রাহ্মণ। আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য সমালোচিত হন শ্রীনি। বিশেষ করে আইসিসি বিশ্বকাপের ফাইনালে আইসিসি প্রেসিডেন্টকে পাশ কাটিয়ে পুরস্কার বিতরণ করাটা বেশ সমালোচনার জন্ম দেয়।
এছাড়া আইসিসিকে কুক্ষিগত করে নিজের খেয়ালখুশিমত ব্যবহার, বাণিজ্যের কথা বলে এফটিপির সিস্টেমে পরিবর্তন, এসিসি বিলুপ্ত করণ, বিশ্বকাপকে ১০ দলের টুর্নামেন্টে রূপান্তর এবং আইসিসির ক্ষমতাকে তিন দেশের মধ্যে সীমাব্ধ করে ফেলাও কম সমালোচনার জন্ম দেয়নি। অথ্যাৎ শ্রীনির আমলে, আইসিসি পরিণত হয় একটি বিসিসিআই’র অঙ্গপ্রতিষ্ঠানে।
এ ব্যাপারে বিসিসিআইয়ের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘জগমোহন ডালমিয়ার মৃত্যুর পর উচ্চপর্যায়ের রদবদলে বিসিসিআইয়ের অভ্যন্তরীণ অনেক হিসাব-নিকাশই বদলে গিয়েছে। তাছাড়া বিসিসিআই সভাপতি মনোহর এবং বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুর শ্রীনিবাসনকে নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না।’ তিনি আরো বলেন, ‘যার ফলে শ্রীনিবাসন অধ্যায়ের আপাত সমাপ্তি ঘটতে পারে। তবে বিসিসিআইয়ে শেষ কথা বলে কিছু নেই।’