আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০১০ সালে সতীর্থকে হোস্টেলের মধ্যে যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত হন এক নিরাপত্তারক্ষী। কিন্তু আইনের ফাঁক গলে মাত্র ১২ মাসের সাজা হয় তার। এছাড়া গতবছর শিচুয়ান প্রদেশে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণ করে লুটপাট চালানোয় অভিযুক্ত হয় এক দুষ্কৃতি। তবে সুনির্দিষ্ট আইন না থাকায় তার বিরুদ্ধে শুধুমাত্র লুটপাটের অভিযোগ দায়ের হয়।
এ জন্যই এবার পুরুষ ধর্ষণ আইন প্রণয়ন করেছে চীন সরকার। নতুন আইনানুযায়ী, কোনো পুরুষকে ধর্ষণে দোষীর কমপক্ষে পাঁচ বছরের জেল হবে। বদলের হাওয়া কমিউনিস্ট শাসিত চীনে। সম্প্রতি এক সন্তান নীতি থেকেও সরে এসেছে শি জিনপিং প্রশাসন।
দেশটির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশে একের পর এক পুরুষ ধর্ষণ বা যৌন অত্যাচারের ঘটনায় উদ্বিগ্ন প্রশাসন। আর সে কারণেই দেশের ফৌজদারি আইনে এক সংশোধনীর মাধ্যমে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অথচ পূর্ববর্তী আইনানুযায়ী, নারীদের ধর্ষণের ক্ষেত্রে কড়া শাস্তি থাকলেও পুরুষদের ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কিছু বলা ছিল না। আর সে কারণেই সারা বিশ্বের পাশাপাশি চীনেও সমকামী সংস্কৃতির বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই ঘটছে পুরুষ ধর্ষণ। আর সেই অপরাধ রুখতেই এবার কড়া আইনের সিদ্ধান্ত নেয় চীন।

