ঢাকাSaturday , 31 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মূল সনদ ‘জামানত’ রেখে বাকিতে ঢাবির প্রশ্ন!

Link Copied!

admissionনিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্র পরীক্ষার্থীদের কাছে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রশ্নপত্র বিক্রি করেছিল। বাকিতেও প্রশ্ন বিক্রির ব্যবস্থা ছিল। এজন্য জামানত হিসেবে আটকে রাখতো পরীক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল সনদ। পরে প্রশ্ন মিলে গেলে টাকা দিয়ে সনদ ফেরৎ নেয়ার চুক্তি করে তারা।
শনিবার দুপুরে এক প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের উপ-কমিশনার শেখ নাজমুল আলম। শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে প্রশ্নফাঁস চেষ্টায় জড়িত অভিযোগে ১৭ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
তিনি আরো জানান, প্রশ্নফাঁস চক্রটি একজন পরীক্ষার্থীকে অন্য ৫ জন পরীক্ষার্থী ‘ম্যানেজ’ করে দিতে পারলে তার জন্য প্রশ্ন ‘ফ্রি’ দেয়ার অফারও চালু করেছিল। অবশ্য প্রশ্নপত্র ফাঁস করতে পারেনি তারা। খবর পেয়ে অাগেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পাল্টে দিয়েছিল বলে দাবি নাজমুল আলমের।
তিনি আরো জানান, কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিভিন্ন কমিটি গঠন করে। এই কমিটি বিভিন্ন হলে গোপন সোর্স নিয়োগ করে। এরকমই একটা সোর্স ভর্তি কমিটিকে জানায়, জিয়া হলে এরকম একটি চক্র কাজ করছে। তারপর ভর্তি কমিটি ডিবি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করে। তারই ভিত্তিতে এদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মো. জুবায়ের, সাজু আহমেদ, মাহমুদুল, সামিউল ইসলাম, ছাব্বির হোসেন, হাসানুর রশিদ, মেহেদী হাসান, হৃদয়, রায়হান রাব্বী, আকাশ আহমেদ, তানভীর, সবুজ খান, মেহেদী হাসান, আকিব বিন বারী, নাহিদুল হক নোমান এবং মানিক মিয়া। এদের মধ্যে আকাশ আহমেদ পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট,  নাহিদুল হক নোমান ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং আকিব বিন বারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।
তিনি দাবি করেন, তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোনসেট, এসএসসি ও এইচএসসির মূল সনদপত্র, হোয়াটস অ্যাপে প্রেরণ করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র, ফেসবুকে যোগাযোগ, অ্যাড দেয়ার কথাবার্তার ডাউনলোডকৃত কপি উদ্ধার করা হয়েছে।
এরমধ্যে অনেকেই পরীক্ষার্থী। তাদের নামে তেজগাঁও থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইন ও পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেছে পুলিশ।  আজ তাদের আদালতে তুলে রিমান্ড আবেদন জানাবে পুলিশ।
প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। চক্রটি সম্পর্কে পরীক্ষার আগের রাতেই তথ্য পেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাই তারা প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দিয়েছিল। আটককৃতদের প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল ছিল না।’
এদের মধ্যে অনেকেই ভিকটিম বা পরীক্ষার্থী আছে দাবি করা হলে ডিবি উপ-কমিশনার কোনো উত্তর দিতে পারেন নি। তবে তিনি দাবি করেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত দোষীদেরও তথ্য জানা যাবে। তাই তাদের আদালতে তুলে আজ রিমান্ড আবেদন করা হবে।