আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ায় একটি পরিত্যক্ত সোনার খনি ধসে পড়েছে। সেখান থেকে তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া খনির ভেতরে আটকে পড়া আরো নয় জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকা জাভার কমপক্ষে ১২ জন সোনা পাওয়ার আশায় ওই পরিত্যক্ত খনিটিতে সুরঙ্গ খুড়ছিলেন। পরে খনিটি ধসে পড়ে। আর এতে ওই ব্যক্তিরা সবাই চাপা পড়েন।
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র ইটা পুসপিতালেনা জানিয়েছেন, নিহতরা খনির শ্রমিক ছিলেন না। বরং তারা ছিলেন লুণ্ঠনকারী। খনি খননের কোনো অভিজ্ঞতাই তাদের ছিল না। আর ওই খনিটি ভূগর্ভ পর্যন্ত ২০০ মিটার প্রসারিত ছিল।
তিনি এএফপিকে জানিয়েছেন, সঠিক সমর্থন কাঠামো না থাকায় খনিটি তাদের ওপর ধসে পড়েছে। সেখানে আর কারো বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরো জানিয়েছেন, চলতি মাসেই স্থানীয় কর্তৃপক্ষ খনিটি বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু সোনা লুণ্ঠনের জন্য প্রায়ই এসব খনিতে ঢুকছে মানুষ। আর তাদের অভিজ্ঞতা না থাকায় ঘটছে বিপর্যয়।
ইন্দোনেশিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রায়েই অবৈধভাবে সোনার খনিতে প্রবেশ বাড়ছে। আর এ কারণে মৃত্যুও বাড়ছে।
এর আগে ২০১৪ সালের অক্টোবরে পশ্চিমাঞ্চলীয় বোরনেও এলাকায় একটি অবৈধ খনি ধসে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
ওই একই বছরের জুলাইতে পাপুয়া প্রদেশে ভূমিধসের কারনে আরো একটি অবৈধ সোনার খনিতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

