ঢাকাThursday , 29 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পায়রা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পসহ ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

Link Copied!

cabinetনিজস্ব প্রতিবেদক : পায়রা সমুদ্র বন্দরের ন্যূনতম অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সীমিত আকারে কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্যে ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পসহ মোট ৮ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মোট ব্যয় ৬ হাজার ৩৮৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সরকারি অর্থায়ন ৪ হাজার ১৯৭ কোটি ৫৮ লাখ, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ২৫ কোটি এবং প্রকল্প সাহায্য ২ হাজার ১৪৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সীমিত আকারে পায়রা বন্দরের কাজ শুরু করার জন্য ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদি উন্নয়ন’ নামে একটি প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
প্রকল্পটি সম্পর্কে তিনি বলেন, পায়রা দেশের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর। এর অবস্থান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পায়রা বন্দরের মাধ্যমে বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার অর্থনৈতিক অবকাঠামোর উন্নয়ন হবে। এ কারণে প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে বন্দরের অবকাঠামো সুবিধা সৃষ্টি করা হলে এটি দেশের অভ্যন্তরে এবং উপআঞ্চলিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য প্রসারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, বতর্মানে ১৬ একর জায়গার ওপর সীমিত ভৌত অবকাঠামোগত সুবিধা যেমন পন্টুন, ক্রেইন, নিরাপত্তা ভবন, অভ্যন্তরীণ রাস্তাসহ অন্যান্য উন্নয়নের মাধ্যমে একটি বন্দর টার্মিনাল তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পণ্য ওঠা-নামা বা খালাস করা হচ্ছে না। তবে পূর্ণাঙ্গ পায়রা বন্দর ব্যবস্থা গড়ে না ওঠা পর্যন্ত বহিঃনোঙরে বাণিজ্যিক জাহাজের মাধ্যমে আগামী ডিসেম্বর থেকে পণ্য খালাসের কার্যক্রম নেয়া হয়েছে। এ কারণে বন্দরটি পূর্ণ উদ্যোমে চালুকরণ এবং আমদানি-রপ্তানি পণ্যের অবাধ পরিবহনের লক্ষ্যে একটি প্রশাসনিক ভবন, একটি ওয়্যার হাউজ (গুদামঘর) নির্মাণসহ পাইলট বোট, টাগ, বয়া লেইযিং ভ্যাসেল, সার্ভে বোট এবং নিরাপত্তা যন্ত্রসামগ্রী সংগ্রহ করা জরুরি। এ প্রেক্ষিতে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো : ‘চট্টগাম ও খুলানায় বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক অফিস স্থাপন ও আধুনিকীকরণ’ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ১৮২ কোটি ৩৩ লাখ ধরা হয়েছে।
৪৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
‘ডাল ও তেল বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে টেকসই পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারকরণ’ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
১০৫ কোটি ৮৮ টাকা ব্যয়ে ‘পরিকল্পনা বিভাগ/কমিশনের কর্মকর্তা কর্মচারিদের আবাসিক ভবন নির্মাণ’ করা হবে।
৪৫৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘ঢাকাস্থ মিরপুর মিরপুর পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য ৬০৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক কমিটি।
‘বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিপ মডেল পেস্টিং সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হচ্ছে ৪৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
‘সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সংশোধিত এ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি করে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা।