ঢাকাSaturday , 17 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পোশাকখাতে বাড়ছে ব্যয়, কমছে দাম

Link Copied!

Garmentsঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : গ্যাস, বিদ্যুৎ, পরিবহন ব্যয়সহ কারখানায় শ্রমিকদের নিরাপত্তায় ব্যয় বাড়লেও দিন দিন কমছে তৈরি পোশাকের দাম। যা পোশাকখাতের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছে তৈরি পোশাকখাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
শনিবার দুপুরে কাওরানবাজারে বিজিএমইএ ভবনের অ্যাপারেল ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান বিজিএমইএর নবনির্বাচিত সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘মজুরি বৃদ্ধি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পরিবহনখাতসহ বিভিন্ন জায়গায় গত এক বছরে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। কারেকশন অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নে বিশেষ করে কাঠামোগত সংস্কার, অগ্নিনিরাপত্তা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং বৈদ্যুতিক সংস্কার বাবদ প্রতিটি কারখানাকে গড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দুটি প্রতিষ্ঠান ওটেক্সা ও ইউরোস্ট্যাটের তথ্য তুলে ধরে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘জানুয়ারি-জুলাই ২০১৫ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পোশাকের মূল্য কমেছে ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ। জানুয়ারি-জুন ২০১৫ সময়ে ইউরোপে মূল্য কমেছে ১ দশমিক ৪১ শতাংশ।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ক্রেতারা মূল্য না বাড়ালেও এ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স ও ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের সুপারিশ অনুযায়ী কারখানার সংস্কার কাজ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে দুর্বল অবকাঠামো, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দক্ষ শ্রমিকের সঙ্কট মোকাবেলা করে রপ্তানি কার্যকম চালাতে হচ্ছে। যেখানে আবার আছে ব্যাংকের অতিরিক্ত সুদ, বিভিন্ন দেশে ডলারের বিনিময় মূল্য হ্রাসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (টিপিপি) চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারেনি বাংলাদেশ। যা প্রতিযোগী রপ্তানিকারক দেশগুলো থেকে বাংলাদেশকে আরো পেছনে ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘উদ্বেগের বিষয় যে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রসহ এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১২ দেশ টিপিপি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, ‘১২টি দেশের মধ্যে ভিয়েতনাম আমাদের প্রতিযোগী দেশ। তারা বিনাশুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি করতে পারবে। অতিরিক্ত শুল্ক দিয়ে পোশাক রপ্তানি করতে হবে বাংলাদেশকে।’
কীভাবে এ চুক্তিতে বাংলাদেশ সম্পৃক্ত হতে পারে সে জন্য সরকারকে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি।
পোশাকখাতের সঙ্কট উত্তরণে গ্যাসের দাম কমানোসহ সিঙ্গেল ডিজিটে ব্যাংক সুদ, ট্রেড লাইসেন্স ফি কমানো এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন নতুন এ সভাপতি।
অনুষ্ঠানে সিদ্দিকুর রহমান তার পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে কীভাবে আগামী দুবছর পোশাকখাতের জন্য কাজ করবেন তা বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শেদী, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, আনোয়ারুল আলম পারভেজ, বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসান, সহসভাপতি মইনুদ্দিন আহমেদ, এসএম মান্নান কচি, সহসভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাসিরসহ অন্যান্য পরিচালকরা।