ঢাকাSaturday , 17 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাজার আসতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি

Link Copied!

Vegetableচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : হেমন্তের আগমনী প্রকৃতিতে জানান দিচ্ছে শীত আসছে। সাথে দেশের কাঁচাবাজারেও আসতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। দামে এখনো চড়া হলেও, বাজরে নতুন সবজির আমদানি সস্তির বারতা নিয়েই আসছে ক্রেতাদের জন্য। টানা বর্ষণে ফলন ভালো না হওয়ার অযুহাতে গত চার মাস ধরে চট্টগ্রামের বাজারে সবজির দাম রয়েছে আকাশ ছোঁয়া।
চট্টগ্রাম নগরীর বড় কাঁচাবাজার রিয়াজউদ্দিন বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, ফুল ভালোমত না গজালেও ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬৯ টাকায়, বাধাঁকপি ৫০ থেকে ৫০ টাকায়, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, ঝিঙা ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায়, চিচিঙ্গা ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায়, বেগুন ৫০ থেকে ৬০, কাকরোল ৭০ টাকায়, ললিতা আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা আর দেশি আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, ওস্তা ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শশা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ এবং কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১২০ টাকায়।
সবজি বিক্রেতারা বলছেনি, এ বছর টানা চার মাস ধরে বর্ষণে সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চট্টগ্রামের বাজারে সবজির দাম বাড়তি ছিল। তবে গত সপ্তাহের শেষ দিক থেকে বাজারে মৌসুমের নতুন শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করেছে। অবশ্য তা পরিমানে কম হওয়ায় এখনো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি। সপ্তাহ দু’য়েক পরে বাজারে পুরো দমে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করলে দাম কমবে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সবজির আড়ৎ জাহাঙ্গীর স্টোরের মালিক মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাজারে শীতের সবজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। বিশেষত সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই থেকে সবজি আসছে বাজারে। তবে রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া থেকে এখনো শীতকালীন সবজি আসছে না। এই মাসের মাঝামাঝি থেকে বাজারে শীতকালীন সবজি ভালোভাবে পাওয়া যাবে বলে আসা করছি, তখন দাম কমবে।’
এদিকে ইলিশের ডিম ছাড়ার মৌসুমে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর শেষ প্রান্তে এসে ইলিশের দাম কমেছে। তবে বাজারে আসা অধিকাংশ ইলিশ আকারে ছোট, কিছু জাটকা আবার কিছু জাটকার চেয়ে একটু বড়।
মাছ বিক্রেতা নজরুল বলেন, ‘মাছগুলো ছোট হলেও সবগুলোই ডিমওয়ালা ইলিশ। মৌসুমের শেষ সময়ে ইলিশ এর চেয়ে আর বড় হয় না। মাছ ধরা শুরু হওয়ার পর বাজারে প্রচুর ইলিশ এসেছে। ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে ইলিশের দাম।’
বাজারে ছোট সাইজের ইলিশ (৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি। তার চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সাতশ থেকে হাজার টাকায়। ছোট-বড় মান ভেদে রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায়, রূপচাঁদা (কালো) ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, রূপচাঁদা (সাদা) ৬০০ থেকে হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাত ভেদে কোরাল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, রুই মাছ ১৮০ থেকে ৩০০, কাতলা ১৮০ থেকে ৩৮০, চিংড়ি ৪০০ থেকে ৭০০ টাকায়, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৬০, লইট্টা ৮০ থেকে ১০০, কৈ ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।