ঢাকাFriday , 16 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এসএমই খাতে ২০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

Link Copied!

ADBঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে নারীদের উৎসাহ ও ঋণ পাওয়া নিশ্চিত করা শর্তে ২০ কোটি ডলার ঋণ দিবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ ঋণের ১৫ শতাংশ বা ৩ কোটি ডলার নারী উদ্যোগতাদের দিতে হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কর্মকর্তারা জানায়, এসএমই খাতে ২০ কোটি ডলারের ঋণের সম্মতি জানিয়েছে এডিবি। এ ঋণ কার্যক্রম চূড়ান্ত ২৬ অক্টোবর ইআরডি ও এডিবির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে এ ঋণ এডিবির বোর্ড সভায় অনুমোদন পেলে এডিবির সঙ্গে ইআরডি ঋণ চুক্তি সম্পন্ন হবে। আর এসব এ বছরেই হওয়ার কথা বলে জানা যায়।
ইআরডি সূত্রে জানা যায়, ঋণের পুরো অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা এসএমইর মাঝারি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে একবার একই খাতে এডিবি ৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার ঋণ দিয়েছিল। সে ঋণ বিতরণের মেয়াদ শেষ হয় ২০১৩ সালে। ওই কার্যক্রমের সম্প্রসারিত রূপ হিসেবে আরেক দফা ২০ কোটি ডলার ঋণ দিতে রাজি হয়েছে এডিবি। ঋণ হিসেবে পাওয়া ৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার প্রায় ৩০টি ব্যাংক ও ১৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিতরণ করেছিল। এছাড়া সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৫ শতাংশ সুদহারে (ব্যাংক রেটে) এ ঋণ সুবিধা নেয়ার সুযোগ ছিল। নতুন করে যে চুক্তি হতে যাচ্ছে, সেখানেও এমন সুযোগ থাকতে পারে।
চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি এসএমই খাতে বিতরণ করা ঋণ আদায় ভালো হওয়ায় ব্যাংকগুলো এখন এ খাতে বেশি জোর দিচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতে অর্থায়নকে গুরুত্ব দেয়ায় ব্যাংকগুলো এখাতে মনোযোগী হয়েছে। ২০১৪ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসএমই খাতে বিতরণ করে ১ লাখ ৯১০ কোটি টাকার ঋণ, আগের বছরের তুলনায় যা ১৫ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা বা ১৮ দশমিক ২৭ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সালে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকার বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। শতকরা হিসেবে যা ১৩ দশমিক ৩৪ ভাগ। তবে বিতরণের পরিমাণ বাড়লেও ঋণ নেয়া উদ্যোক্তার সংখ্যা খানিকটা কমেছে।
এদিকে, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ২০১৪ সালে ৭ লাখ উদ্যোক্তা এসএমই ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু এখন ঋণ বিতরণ বাড়লেও গ্রাহকের সংখ্যা কমে ৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৬ জনে নেমে এসেছে।
সম্প্রতি এডিবি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, এশিয়ার  নিবন্ধনকৃত ফার্মের ৯৬ শতাংশই এসএমই এবং শ্রম শক্তির ৬২ শতাংশই কর্মচারী। তারা অর্থনীতিতে মাত্র ৪২ শতাংশ অবদান রাখে। এ কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়া প্রয়োজন বলে এ দাতা সংস্থাটি মনে করে।
প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, এশিয়ায় লক্ষাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কল-কারখানা আছে। তবে এগুলোর মধ্যে খুব স্বল্প সংখ্যক এসএমই অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হয়। এ সব শিল্প-কল কারখানা বিশ্বব্যাপী পণ্য সরবরাহের চেইনের অংশ হতে পারে। এ জন্য এসব প্রতিষ্ঠানের মূলধন আরো বাড়ানো প্রয়োজন এবং বিভিন্ন আর্থিক চ্যানেলে প্রবেশের সুযোগ থাকা উচিৎ বলে মনে করে এশিয়ার এ সংস্থাটি।
এর ফলে এডিবি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ওপর গুরুত্বারোপ করে এসএমই খাতে ঋণ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান ইআরডি কর্মকর্তারা।