অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ঈদ মানেই আনন্দ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনে এ আনন্দের মধ্যেও থাকে অনেক দুঃখ, অনেক বেদনার রঙ। কাছের মানুষের মুখে খানিকটা হাসি ফোটাতে গিয়ে অনেক সময় চাপা পড়ে যায় নিজের ঈদের আনন্দটাই। প্রবাসীদের অচেনা সংস্কৃতিতেই উৎযাপন করতে হয় ঈদ আনন্দ।
তবে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীদের জন্য সু-খবরই বলা যায়। বিশেষ করে দেশটির নিউইয়র্কের বসবাসকারীদের জন্য। এ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী নেতারা ঈদ করবেন তাদের সঙ্গেই। ২৩ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র থাকছেন তারা।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। আর তার সফরসঙ্গী হিসেবে শতাধিক ব্যবসায়ীদের নেতৃত্ব দেবেন দেশের প্রধান ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ। সফরসঙ্গীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ সংগঠন এফবিসিসিআিইয়ের ৩১ জন প্রতিনিধি থাকবেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বাকিরা বিজিএমইএ, বিকেএমই ও অন্য ব্যবসায়ী সংগঠনের। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।
জানা গেছে, এফবসিসিআই থেকে ১১৯ জনের তালিকা করা হলেও নিজ খরচে সফর করার বাধ্যবাধকতা থাকায় অনেকে যেতে পারছেন না। তবে এ নিয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে।
সফরে ব্যবসায়ীদের করণীয় বিষয়ে ইতিমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করেছে এফবিসিসিআই। এতে সংগঠনটির সভাপতি মাতলুব আহমাদ, প্রথম সহ-সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন নেতৃত্ব দেন।
এ বিষয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, ‘প্রযুক্তির কল্যাণে পৃথিবী অনেক ছোট হয়ে আসেছে। এর যে প্রান্তেই থাকিনা কেন, টেলিফোনে-ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবার সঙ্গে পাশাপাশিই থাকতে পারছি। সরাসরি কথা বলতে পারছি। বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল, যুগটাও ডিজিটাল। তাই বিদেশে ঈদ করলেও খুব একটা খারাপ কাটবে বলে মনে হয় না। নতুন একটা অভিজ্ঞতাও তো হচ্ছে।’
তবে দেশে ঈদ করার আনন্দ বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু এটা একটা নতুন আনন্দ। এবার আমরা নিউইয়র্কে ঈদ করবো। দেখি না আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা কীভাবে ঈদ করেন। তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করবো এবার। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাতে করে আমরা সবাই সেখানে ঈদ উদযাপন করি।’
সফিউল ইসলাম বলেন, ‘সফরে আমরা বেশ সংখ্যক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি যাচ্ছি। এতে কয়েকটি ভাগে অর্থাৎ ৬ থেকে ৭টি গ্রুপে সেখানে অবস্থান করবো। সে দেশে আমাদের কী কী সভা হবে এবং কোন কোন সেক্টরের সঙ্গে বৈঠক করেছি সব ঠিক করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর ব্যবসায়ীদের তালিকা
এফবিসিসিআইয়ের সদস্য:
সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ, প্রথম সহ-সভাপতি মো. সফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন), সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি বর্তমান পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, পরিচালক মো. আমিনুল হক শামিম, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা, আল-হাজ মো. হারুন উর রশিদ, শামিক আহসান, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, মো. হাবিব উল্লাহ দেওয়ান, কেএম আকতারুজ্জামান, এম শোয়েব চৌধুরী, মো. মুনতাকিম আশরাফ, নাজিবুল ইসলাম দিপু, এসএম জাহাঙ্গির হোসাইন, মাসুদ পারভেজ খান (ইমরান), মো. আবু নাসের, আলহাজ মোহাম্মদ বজলুর রহমান, মো. আবুল আয়েস খান, মো. আনোয়ার সাদাত সরকার, খন্দকার রুহুল আমিন, মো. আমিন হেলালি, মো. রেজাউল করিম রেজনু, আলহাজ মো. মাসুদ, বেনজির আহমেদ, নাজ ফারহানা আহমেদ, এসএম আমজাদ হোসাইন, কাজি আমিনুল হক, শামিম আহমেদ, মুহাম্মদ শামসু উজ জোহা। এছাড়া এফবিসিসিআই সভাপতির ব্যক্তিগত সচিব সৈয়দ আমিরুল ইসলাম।
বিজিএমইএ:
সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রিয়াজ-বিন-মাহমুদ, সাবেক সহ-সভাপতি সিদ্দকুর রাহমান, পরিচালক অঞ্জন শেখর দাস, সাবেক সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, পরিচালক মোহাম্মদ নাসির এবং মাসুদ কাদের মুন্না, সাবেক পরিচালক আতিয়ার রহমান দিপু। এছাড়া বিকেএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি ওহিদুল হক আসলাম সুন্নি।
জেলা চেম্বার নেতা:
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. কামাল হাসিন, বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. শাজাহান মিনু, মানিকগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুদেব কুমার সাহা, গোপালগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. মোশাররফ হোসাইন, ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. আদুল মমিন, সিলেট ওমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শ্যামলতা রায়, পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মশিউর রহমান মহারাজ, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো নুরুন নেওয়াজ সেলিম, সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি সজিব রঞ্জন দাস, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ- সভাপতি মো. মুনজুর রহমান (পিটার), পটুয়াখালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি মো. গিয়াসউদ্দিন, গাজিপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি মো. মুজিবুর রহমান, জামালপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক নাবিন, বরিশাল মেট্টপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. রাজিন উল কবির, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক সাবেরা আহমাদ চৌধুরী, ভোরের পাতা গ্রুপের চেয়ারপার্সন ড. কাজি ইরতেজা হাসান।
অ্যাসোসিয়েশন:
বাংলাদেশ নন-প্যাকার ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাবুল আকতার, বাংলাদেশ এগ্রো-বেসড প্রোডাক্ট প্রডিউসার অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম রুহুল আমিন, বাংলাদেশ পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলারর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন, বিএআইআরএ সভাপতি মোহাম্মাদ আবুল বাশার, বাংলাদেশ বিউটি পার্লার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহমুদা মুসতাকিম রুবি, বাংলাদেশ চশমা শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক জুয়েল, বাংলাদেশ ইর্য়ান মাচেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাহফুজুর রহমান খান, বাংলাদেশ ওয়াচ ইনপোটার্স এসমবলারর্সের সহ-সভাপতি এম কাউসারুজ্জামান, ইন্ডিগো প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাসোসিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. লিয়াকত আলী সিকদার, বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা আক্কাস মাহমুদ, বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশনের অর্থ পরিচালক হালিম সিকদার, বাংলাদেশ হমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. মাহবুব হাফিজ, বাংলাদেশ পেপার ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকি।
উদ্যোক্তা:
শোহেল ইলেকট্রনিক্সের আলহাজ সৈয়দ শোহেল, মেসার্স আশিশ অ্যান্ড সন্সের আশিশ কুমার সাহা, মেসার্স ব্রাদারর্স অপটিক্সের মো. বাবুল হোসাইন, এমএইচ ট্রেডাসের মোশাররফ হোসাইন, রুবি এন্টারপ্রাইজের অজয় ধর, মেসার্স ব্রাদার্স কর্পোরেশনের মো. জুনায়েদ সারোয়ার, আরএসফি ইন্টারন্যাশনালের রেজা শাহ ফারুক, আরআর প্রিন্টিং অ্যান পেকেজিইএর মো. জহিরুল ইসলাম, এসআর ইন্টারন্যাশনালের মো. শামসুর রহমান, মোসার্স এসআর ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মো. শপন ইসলাম, মোসার্স এ রহমানের আনিসুর রহমান।
অন্যান্য ব্যবসায়ী সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান:
ভারটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান গনি তালুকদার, স্টারনিং ফ্যাশন ওয়ার লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ মনিনুরল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুতফর রহমান, মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইং মিলস লিমিটেডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমাল পোদ্দার, এসপি ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুবাল চন্দ্র সাহা, এএস লিমিটেডের সিইও আফতাব আহমেদ, এনএএসসিআইবির সভাপতি মির্জা নুরুল গনি শোভন, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান এমএম ইনামুল হক, হোটেল অর্চার্ড প্লাজার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক, সিদ্দিক গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চৌধুরী (সমরাট), ট্রিমেনডাসের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম, এন অ্যান্ড এস রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড প্রপারটি মেনেজম্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ নাসিম ইমাম, তাওয়েল ট্রেক্স লিমিটেডের ব্যবসস্থাপনা পরিচালক, কাজি ইমদাদুল হক, হাজি নজরুল ইসলাম শিপিং লাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজি সাকুর হোসাইন (সাকু), তমা কনসট্রাকশন অ্যান্ড কোং লিমেটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান ভূইয়া (মানিক), জেএসএম করপোরেশনের সিইও মো. জশিম উদ্দিন সিকদার, স্টার টেক্সটাই মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ, বদরুল ইকবাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বদরুল ইকবাল, রোট প্যাকিং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের আহম্মদ মামুন, এমএজি ট্রেডের গিয়াস উদ্দিন খান, রহিম আফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রুপ ডিরেক্টর কাজি মছতাফিজুর রহমান, সেন্টর পর এনআরবির চেয়ারম্যান এমএস শেখ চৌধুরী।

