ঢাকাWednesday , 23 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছোট আকারের নেপালি গরুর চাহিদাই বেশি

Link Copied!

cowঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : কোরবানি উপলক্ষে জমে উঠেছে রাজধানীর গবাদি পশুর হাট। হাটে রয়েছে ছোট, বড়, মাঝারি আকারের দেশি-বিদেশি গরু। তবে এ বছর ছোটি আকারের নেপালি গরুর চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছে পশু বিক্রেতারা। ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা ছোট বা মাঝারি আকারের গরু কিনতেই বেশি আগ্রহী।
বুধবার রাজধানীর গাবতলী গবাদি পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে ছোট এবং মাঝারি আকারের নেপালি গরুর প্রতিই বেশি আগ্রহ ক্রেতাদের। ছোট-খাটো আকারের নেপালি গরুগুলোর দাম মধ্যবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে থাকায় এসব গরুর প্রতি ঝুঁকছে ক্রেতারা।
ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের গরু বিক্রেতা খাদন চন্দ্র রায় ছোট-মাঝারি মিলিয়ে ১৭টি নেপালি গরু এনেছেন হাটে। বৃষ্টি-বাদলের কারণে গত সোমবার পর্যন্ত তেমন বেচা-বিক্রি না হলেও গতকাল থেকে বিক্রি বেড়েছে বলে জানান এ বিক্রেতা।
তিনি বলেন, ‘গরুর দাম কম-বেশি যাই হোক, গতকাল থেকে বাজারের অবস্থা ভালো। ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে।’
বিক্রেতার সঙ্গে গরু দরদাম করছিলেন মিরপুর -৬ নম্বর থেকে আসা মো. ফরহাদ আলম। কি ধরনের গরু কিনবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গরুর বাজার চড়া। এত দাম দিয়ে গরু কেনাই কঠিন। তাই ঠিক করেছি ছোট অথবার মাঝারি আকারের গরু কিনবো। নেপালি গরু দরদাম করে দেখছি। বাজেটের মধ্যে পছন্দমত গরু পেলেই কিনে ফেলবো।’
হাট থেকে গরু কিনে ফিরছিলেন কল্যাণপুরের জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘ব্যাবসায়ীরা ইনজেকশন দিয়ে গরু মোটাতাজা করে। সেসব গরুর দামও অনেক বেশি। তাই আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবার বড় গরু না কিনে ছোট দেখে দুইটা গরু কিনবো। গতকাল ৪৮ হাজার টাকায় একটি নেপালি গরু কিনেছি। আজ আরেকটা কিনলাম, এইটার দাম পড়ছে ৫১ হাজার টাকা।’
কুষ্টিয়ার গরু বিক্রেতা আজিজ জানায়, এ বছর তিনি ২৩টি নেপালি গরু এনেছেন হাটে। ১২টি গরু ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।
এ বিক্রেতা জানান, কুষ্টিয়ার বেশির ভাগ বেপারি হাটে নেপালি গরু এনেছেন। কেউ কেউ সরাসরি নেপাল থেকে এসব গরু আমদানি করে থাকেন। তবে দেশেও ক্রস প্রজাতির নেপালি গরু উৎপাদন করা হয়। সেগুলো দেখতে অনেকটা দেশি গরুর মতই, তবে কান একটু বেশি লম্বা।
গাবতলী গবাদি পশুর হাটের ১ নম্বর হাসিল ঘরে দায়িত্বরত এক কর্মী জানান, বৈরী আবহাওয়া কিছুটা প্রভাব ফেললেও পশুর হাট ক্রমেই জমে উঠছে। বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট আকারের নেপালি গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে।
হাটের প্রধান গেটে তল্লাসির দায়িত্বে থাকা মো. সুমন এ ব্যাপারে বলেন, ‘সব ধরনের পশু ভালো বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েকদিনের অভিজ্ঞতায় বলতে পারি ছোট ও মাঝারি ধরণের গরুই বেশি যাচ্ছে।’