ঢাকাTuesday , 22 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বৃষ্টিতে পশুর হাটে ভোগান্তি, দাম এখনও স্বাভাবিক

Link Copied!

Hatনিজস্ব প্রতিবেদক : উৎসব-পার্বণ কি আর বৃষ্টি মানে? তাই থেমে থেমে হালকা-ভারী বর্ষণের মধ্যে রাজধানীর হাটগুলোতে চলছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। হাট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগ-অনুযোগ থাকলেও দাম স্বাভাবিক। ক্রেতার উপস্থিতি কম, তবে যারাই আসছেন তারাই গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিক্রেতারা জানালেন, বৃষ্টি না হলে বিক্রি ও ভিড় দুটোই বাড়ত।
শাহজাহানপুর রেলওয়ে মাঠে স্থাপিত হাটের ভেতর ঢুকে দেখা গেল, মাঠের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে আছে। এ নিয়ে অভিযোগ করতে দেখা গেল একজনকে।
কবির নামের ওই বিক্রেতার দাবি, তার লাখ টাকার গরুগুলো কখনও পানিতে “এ অবস্থায়” থাকতে অভ্যস্ত নয়। এতে গরু অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
এ ব্যাপারে ইজারাদার প্রতিনিধি মো. রানা জানালেন, বালির মাঠ হওয়ার কারণে পানি আপনাআপনি সরে যাওয়ার কথা। কিন্তু বেশি বৃষ্টি ও পশুর খুরে গর্ত হয়ে পানি জমছে।
তিনি জানান, এ হাটের মেডিকেল বুথে দুই শিফটে ১২ জন পশু চিকিৎসক কাজ করছেন, তাই পশু অসুস্থ হলেও চিন্তার কিছু নেই।
রানা জানালেন, হাটে পশুর চাপ এতটাই বেশি যে, নির্ধারিত স্থানের বাইরে গরুও রাখতে হয়েছে অনেককে। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ হাটে ৫০টির বেশি গরু বিক্রি হয়েছে। বৃষ্টি না হলে বিক্রি আরও বেশি হতো।
রহমতগঞ্জ খেলার মাঠে স্থাপিত বাজারে জামালপুর থেকে পনেরটি গরু নিয়ে এসেছেন তাসের নামের এক ব্যাপারী। তিনি জানান, এ পর্যন্ত একটি গরু বিক্রি করেছেন তিনি।
তার দাবি, ক্রেতারা যে দাম হাকাঁচ্ছেন তাতে কেনা দামও আসছে না। এমনটি হলে লোকসান গুণতে হতে পারে।
অন্যদিকে শফিউল নামের এক ক্রেতা জানালেন, সাড়ে চার মণ ওজনের একটি গরুর জন্য এক লাখ দশ হাজার টাকা চাইছেন এক বিক্রেতা। এটা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি।
হাটের ইজারাদাররা জানালেন, পশু রাখার জায়গা না থাকার কারণে বৃষ্টির ভয়ে অনেকে গরু কিনছেন না। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসায় আগামীকাল বুধবার থেকে বেচা-বিক্রির ধূম পড়বে।
তারা জানান, দাম স্বাভাবিক আছে। বাজারে চার মণ ওজনের একটি গরু ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে পেশাদার গরু ব্যবসায়ী হাফিজ আলমরে মতে, শেষ দুই দিনে গরুর সংখ্যাই দাম নির্ধারণ করে দেয়। যত স্বাভাবিক থাকুক না কেন-কোনো কারণে গরুর ঘাটতি হলে দাম লাফিয়ে বাড়বে। আর বেশি গরু থাকলে লোকসান গুণতে হবে বিক্রেতাদের।