ঢাকাSunday , 20 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৩০ বছর

Link Copied!

maxxicoআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ১৯৮৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মেক্সিকো শহরে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ১। ওই ভূমিকম্পে ২০ হাজারের মত মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল বলে ধারনা করা হয়। এছাড়া বহু বাড়ি-ঘর ধ্বংস হয়েছিল।
গতকাল শনিবার ওই ভূমিকম্পের ৩০ বছর পূর্তি হয়েছে। আর এ উপলক্ষে মেক্সিকো শহরের  প্রায় ৬০ লাখ মানুষ ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণ হারানো হাজার হাজার মানুষকে স্মরণ করে কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছিল। এ উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। সেসময় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় ভয়াবহ সেই দিনটিকে স্মরণ করে ‘ভূমিকম্প সতর্কতা’ এলার্ম বাজানো হয়।
শনিবারের দিনটি সম্পর্কে শহরের মেয়র মিগুয়েল এ্যাংগেল মানছেরা এক নিউজ ব্রিফ্রিংয়ে জানিয়েছেন, ‘প্রায় ১৬ হাজার ভবন থেকে ৬০ লাখ মানুষ কুচকাওয়াজ এবং স্মরণসভায় অংশগ্রহণ করেছে।
ওই ভূমিকম্পে ২০ হাজারের মত মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল বলে জানিয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা। তবে সরকারি হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যাকে অস্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি ভয়াবহ ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।
ওই ভূমিকম্পে এত মানুষ প্রাণ হারানোয় মেক্সিকোতে ভূমিকম্প সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করা এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। এছাড়া প্রায় দুই দশক ধরে সিআইআরইএস নামে একটি নাগরিক সমিতি ভূমিকম্পের সতর্কতায় শহরজুড়ে বেশ কিছু পদ্ধতির ব্যবহার সম্পর্কে প্রচারণা চালিয়ে আসছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ভূমিকম্পের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতার মাধ্যমে ভূমিকম্পের সতর্কতা এবং বিভিন্ন ভবনে ১শয়ের মত সেন্সর যা ভূমিকম্পের সতর্কতা প্রদান করবে।
এছাড়া স্মার্টফোনেও স্কাইএলার্ট এবং এলার্টা সিসমিকা ডিএফ এপ্লিকেশনে ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা পাবে সাধারণ মানুষ। দেশটিতে ভূমিকম্পের এসব প্রযুক্তির ব্যবহারের কারনে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা চলতি সপ্তাহে দেশটি পরিদর্শন করেছেন। মেক্সিকো শহরে যেসব পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে আমেরিকার ভূমিকম্প প্রবণ উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলে সেধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে আরো বেশি কিছু জানতেই তারা দেশটি পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।