আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম নিরাপত্তা পরিষদে এলজিবিটিদের নিয়ে বৈঠক হলো। বিশ্বব্যাপী লেজবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডারদের (এলজিবিটি) অধিকার রক্ষার বিষয়ে বৈঠকে কথা হয়েছে।
ইরাক ও সিরিয়ায় এলজিবিটিদের শুধু লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এসব হত্যাকা- চালাচ্ছে। লৈঙ্গিক সংখ্যালঘুদের বাঁচাতে উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে প্রস্তাব তোলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সামান্থা পাওয়ার।
সোমবার সাংবাদিকদের পাওয়ার বলেন, ‘জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রায় ৭০ বছর পার হয়েছে। এখন সময় এসেছে বিশ্বের নানা প্রান্তে জীবনের ঝুঁকিতে থাকা লৈঙ্গিক সংখ্যালঘুদের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে আনা।’
জাতিসংঘে এলজিবিটিদের নিয়ে বৈঠকের বিষয়ে পাওয়ার বলেন, ‘এটি ক্ষুদ্র প্রয়াস কিন্তু ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।’
এলজিবিটিদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজনের উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র ও চিলি। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরতে আহ্বান জানানো হয়। তবে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের কানাডা ও অ্যাঙ্গোলা বৈঠকে যোগ দেয়নি।
এদিকে বৈঠকের ফাঁকে সিরিয়া ও ইরাকে নির্যাতনের শিকার কয়েকজন গে, লেসবিয়ান ও ট্রান্সজেন্ডারের কথা শোনা হয়। আইএস তাদের ওপর কী ভয়ংকর নির্যাতন চালিয়েছে, তারা তা বর্ণনা করে।


