আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আসছে ৮ নভেম্বর মিয়ানমারের বহু প্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কূটচাল, দলসমূহের বিবিধ ঘাতপ্রতিঘাত। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান বারবার আশ্বস্ত করছেন দেশের মানুষ ও নেতাকর্মীদের, সামরিক বাহিনী আসছে নির্বাচনের পুরোমাত্রায় শ্রদ্ধাশীল। নিঃসন্দেহে সামনের নির্বাচন দেশটির রাজনৈতিক রসায়ন বদলে অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে।
জেনারেল মিন অং হলাইং; নির্বাচনের স্বচ্ছতা বিষয়ে তার সার্বক্ষণিক ভাবনার কথা জানালেন। তিনি বলেন সেনাবাহিনীর মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু এখন একটিই। তা হলো, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুব্যবস্থাপনা এবং একটি সর্বজনগ্রাহ্য ফলাফল দেশের মানুষের হাতে তুলে দেয়া। এমনকি অং সান সুকি’র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি যদি নির্বাচনে জয়লাভ করে, তারপরও। মোটকথা, ‘ইউনিয়ন ইলেকশন কমিশনের’ সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।
মিসন অং হলাইং-এর এমন বক্তব্যে উদ্দেশ্য পরায়ণতা খুঁজছেন অনেকে। উল্লেখ্য, অং সান সুকির দল নির্বাচনে জয়লাভ করলেও, তিনি দেশটির প্রধান নীতিনির্ধারণী পদে বসতে পারবেন না সংবিধান অনুসারেই। সামরিক শক্তি এবং সরকারের সঙ্গে সুকির বিরোধ প্রায় কুড়ি বছরেরও বেশি পুরনো।
দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতা কবে ছাড়বে সামরিক শক্তি? এ প্রশ্নের জবাবে জেনারেল মিন অং হলাইং বলে থাকেন, সঠিক সময়ে সামরিক সরকার ক্ষমতা ছাড়বে। এ নিয়ে দুর্ভাবনার কিছু নেই। অং মনে করেন, দেশে রাজনৈতিক দলসমূহের অন্তর্কোন্দল সবচেয়ে ক্ষতিকর, এটা দেশকে খণ্ডায়িত করে দেয়। সামরিক সরকার এমন বিরোধ চায় না।

