আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইতোপূর্বে বেশ ক’বার এ প্রসঙ্গে ইতিবাচকতা প্রকাশ পেলেও, ২০১১ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত ইরানের রাজধানী তেহরানে পুনরায় খোলা হয়ে ওঠেনি ব্রিটিশ দূতাবাস। বাধা ছিল : ইরানের ওপর আরোপিত পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত অবরোধ, ও ঐ ইস্যুকে কেন্দ্র করে আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ; এসবের প্রশ্নে কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তে না আসতে পারা। বর্তমানে সে বাধা অনেকটাই অপসারিত হওয়ায়, অবশেষে চার বছর পূর্বে ইরানি নাগরিকদের হামলার বিপরীতে বন্ধ করে দেয়া দূতাবাসটি, আবারও খোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড।
চার বছর আগে তেহরানস্থ ব্রিটিশ দূতাবাসের ওপর চড়াও হয় ইরানি জনগণ। কারণটি : পূর্বেই উল্লিখিত ‘অন্যায়’ অর্থনৈতিক অবরোধ; ‘ন্যায়সঙ্গত’ পরমাণু কর্মসূচিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে যা আরোপিত হয়েছিল। সে সময়ে দূতাবাসাটি ঘেরাও করে ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ইরানীরা। এছাড়া ব্রিটিশ পতাকায় অগ্নিসংযোগ করেও ক্ষোভ প্রকাশ করে।
আসছে সপ্তাহে ফিলিপ হ্যামন্ড স্বল্পসংখ্যক সফরসঙ্গী নিয়ে ইরান সফরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি ইউরোপীয় ও পশ্চিমা শক্তির বিপরীত মেরুতে অবস্থানকারী দুই পরাশক্তি : রাশিয়া ও চীন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে তৎপর হয়েছে। ফিলিপ হ্যামন্ডের আসন্ন সফরকে, ঐ তৎপরতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ‘ক্ষমতাবলয়ে ব্রিটিশ প্রভাব’ অক্ষুণ্ন রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট বোদ্ধাদের অনেকে।


