খুলনা প্রতিনিধি : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম. এ. মান্নান তিনি যৌক্তিকভাবে ট্যাক্স নির্ধারণ এবং করদাতাদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে সংশ্লিস্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার নগরীর হোটেল সিটি ইনে ‘শুল্ক মূল্যায়ন, শ্রেণিবিন্যাস এবং রুলস অব অরিজিন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
ক্রমবর্ধমান রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, কাস্টমস প্রশাসনকে আধুনিকীকরণ এবং স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মংলা কাস্টম হাউস, খুলনা এ কর্মশালার আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ দরকার। নিজের প্রতি যত বেশি আস্থাশীল হওয়া যাবে, ততই আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করা যাবে। কয়েক বছর যাবৎ বাংলাদেশের জিডিপি মোটামুটি ছয় ভাগে স্থিতিশীল থাকায় অনেক দেশের কাছেই তা ঈর্ষণীয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কর্মশালায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও চুক্তি) মোহাম্মদ এহতেশামুল হক ‘শুল্ক মূল্যায়ন’ বিষয়ে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব (শুল্ক) মো. নেয়াজুর রহমান ‘শ্রেণিবিন্যাস’ বিষয়ে এবং রাজশাহী কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট-এর অতিরিক্ত কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ‘রুলস অব অরিজিন’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন ঘটনায় শুল্ক বিভাগে বিপুল সংখ্যক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে এনবিআর অল্টারনেটিভ ডিসপুট রেগুলেশনস আইন করেছে। এতে তিন সদস্যের সমন্বয়ে সালিশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিবাদ নিষ্পত্তি করা হবে।
কর্মশালায় বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন) সুলতান মো. ইকবাল, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. একরামুল হাবীব এবং খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতিত্ব করেন মংলা কাস্টম হাউস কমিশনার ড. মো. আল আমিন প্রামাণিক। স্বাগত বক্তৃতা করেন যশোর কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট মো. জামাল হোসেন।

