ঢাকাMonday , 3 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একদিন তোমায় না দেখিলে….

Link Copied!

friendবিনোদন ডেস্ক : বন্ধু মানেই খোলা আকাশ, খোলা জানালা, স্বাধীনতার স্বাদ, আর বিষাদ ভাগাভাগি করে নেয়া মানুষটা। সে মানুষ কখন কোথায় কিভাবে আমাদের জীবনে এসে ভীড়ে সে খবর আমরা কেউই জানিনা। বন্ধুত্ব হয়ে যায়, মিলে যায় দুটি প্রাণে প্রাণ…। মনের কথা খুলে বলার, প্রাণখুলে হাসি আর কান্নার জন্য যে মানুষটিকে আমরা খুঁজি সেইতো বন্ধু। একদিনও কি বন্ধু ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি? আমাদের রঙিন পর্দার জগতেও তেমন বন্ধুত্ব আছে। সেসব তারকাদের গল্প নিয়ে আজকের এ আয়োজন….
শুধু গান গেয়ে পরিচয়…
দুজন, দুই ভূবনের বাসিন্দা। একজন গান করেন, তো আরেকজন চলচ্চিত্রের শুটিং এর জন্য দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান। বলছিলাম কনা ও নুসরাত ফারিয়ার কথা। দুজনের মধ্যে নাকি গলায় গলায় ভাব। তো এই ভাবের বিষয়ে কনার বক্তব্য, ‘ফারিয়ার আমার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট। তারপরও আমাদের দেখলে, যে কেউ ভাববে আমরা অনেক কাছের বন্ধু। আসলে এটাই সত্য।’
তো বন্ধুত্বের যাত্রাটা কীভাবে? ‘দুই বছর আগে, অর্থ্যাৎ ২০১৩ সালে আরটিভির আয়োজনে ভালোবাসা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে গান করেছিলাম আমি। সেই অনুষ্ঠনটিতে ফারিয়াও ছিল। সেখানেই পরিচয়। তারপর তা এগিয়ে যেতে লাগলো। আর এখন তো, সুযোগ পেলেই দুজনে আড্ডায় মেতে উঠি।’
বন্ধু দিবসের দিনটিতে দুজনের মধ্যে মুঠোবার্তা বিনিময় হলেও, দেখা হয়নি। তবে এ কারনে বন্ধুত্বে কোন ভাটা পড়েছে বলে মনে করেন না কনা।
শবনম ফারিয়ার সঙ্গে বেনজিরের খুব দোস্তি
মডেল বেনজির ইশরাতের মতে, বন্ধুত্ব মানেই মন খুলে কাছের মানুষটিকে গালাগাল করা। যা বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছার মধ্যেই উপস্থিত ছিলো। গালাগালি কেন? ‘আররে বন্ধুত্বের বহি:প্রকাশ হচ্ছে, যা ইচ্ছা তাই বলতে পারা। আর সেই বন্ধুটি সব নি:শব্দে সব শুনে যাবে’ বললেন বেনজির।
বেনজিরের প্রিয় বন্ধু অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। দুজনের পরিচয়ও ঘটে একই প্লাটফর্মে কাজ করতে গিয়ে। বেনজির বলেন, ‘সেটা সম্ভবত ২০১১ অথবা ২০১২ সাল, একটি ফটোশুটের জন্য আমি আর শবনম ফারিয়া একটি স্টুডিওতে হাজির হয়েছি। দুজন দুজনকে না চিনলেনও, কথায় কথায় পরিচয় হয়। তারপর থেকে শুট কিংবা আড্ডা, দু’জন এক সঙ্গে সব জায়গায়।’
বন্ধু হিসেবে শবনম ফারিয়া কেমন? এমন প্রশ্নে বেনজিরের গুরু গম্ভীর উত্তর, ‘ও আমাকে সব সময়ই মানসিক সমর্থন দিয়ে আসছে। ভাল কিংবা মন্দ, সব কিছুতেই তাকে পাশে পাই। আমার মা’ও ওকে অনেক পছন্দ করে, তাই আমার বিষয়ে কিছু জানতে হলে মা আগে ওকে ফোন করে।’
মারিয়ার সঙ্গে একদিনও কথা না বলে থাকতে পারে না নাবিলা
হঠাৎ করে নাবিলা ও মারিয়ার নূরের নাম শুনলে অনেকেই ভাবেন এরা দুজন বুঝি ক্রিকেটার। আসলে গেল বছর টি টুয়েন্টি ক্রিকেট নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই তারা আলোচনায় আসেন। ক্রিকেটের সেই আয়োজনটি শেষ হলেও, দুজনের মধ্যে একটি সর্ম্পক এখনও বিদ্যমান। আর তা হলো বন্ধুত্ব। মারিয়ার ভাষায়, ‘অনেক কেয়ারিং একটা মেয়ে নাবিলা। প্রথম পরিচয় থেকেই সে আমার প্রতি  এতবেশি কেয়ারিং, যে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হতে খুব একটা সময় লাগেনি।’
মারিয়ার সঙ্গে একদিনও কথা না বলে থাকতে পারে না নাবিলা। ‘যেখানেই থাকুক, সে অবস্থাতেই থাকুক, প্রতিদিন আমার ফোনে নাবিলার একটি কল আসবেই, আসবে।’ মারিয়ার বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তাই প্রতিদিনিই সেখানে ছুটতে হচ্ছে তাকে। ফলে দুই বন্ধুতে খুব একটা দেখা হচ্ছে না। তাই অনেক অভিমান করেই একটি মুঠোবার্তা পাঠিয়েছেন নাবিলা। সেখানে লেখা ছিলো, ‘আমার জীবন থেকে মারিয়া হারিয়ে গিয়েছে।’ হাসতে হাসতে নাবিলা বলেন, ‘ও অনেকটা এরকমই। অভিমান করেছে। তাই বলে আমাকে ভুল বুঝেনি।’
কিভাবে যেন টয়ার সঙ্গে জমে গেল এলভিনের
২০১০ সালে অনুষ্ঠিত ‘লাক্স চ্যানেল আই-সুপারস্টার’ প্রতিযোগীতার মঞ্চে প্রথমবারের মতো দেখা হয় মুমতাহিনা টয়া ও তাসনূভা এলভিনের মধ্যে। বিচারকদের সামনে দুজনের বুকেই তখন দুরু দুরু কাঁপন। ‘যাই হোক সেইবার দুজনেই ইয়েস কার্ড পেয়ে প্রথম রাউন্ড থেকে পরবর্তি রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হই। হয়তো সৃষ্টিকর্তাও চেয়েছিলেন আমার বন্ধুত্ব। তাই ইয়েস কার্ড লাভের পর যখন আমাদের অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হলো তখন দেখি সবই অপরিচিত মুখ। কিন্তু কিভাবে যেন টয়ার সঙ্গে আমার জমে গেলে। ব্যাস, সেখান থেকেই পথচলা’ বলছিলেন এলভিন।
তবে বন্ধু দিবসের দিনটিতেও এলভিনের মন খুব একটা ভাল নেই। কারণ সবচেয়ে প্রিয় বান্ধবীটি তার কয়েক হাজার মাইল দূরে সুদূর থাইল্যান্ডে অবস্থান করছে। মূলত পেশাগত কারণেই তাদের মধ্যে এই দূরত্ব। এ কারণে মন খারাপ থাকলেও, দিনটির কথা বন্ধুকে মনে করিয়ে দিতে ফোন করতে ভুলে যাননি এলভিন। ‘আজ সকাল সকাল ওর সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামী ১৭ তারিখ টয়ার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। তখন দুজনে মিলে বাসি বন্ধু দিবস উদযাপন করব’ হাসতে হাসেতে কথাগুলো বলেন এলভিন।
তো দুজনের বন্ধুত্বের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয় না? ‘হবে না আবার? একবার তো ও রাগ করে আমার সঙ্গে কথা বলাই বন্ধ করে দিয়েছিলো। কয়েকদিন পরে অবশ্য সব ঠিক হয়ে যায়।’