স্পোর্টস ডেস্ক : সিরিজের শেষ টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিন ছাড়া বাকি তিনটি দিন ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। ফলে ঢাকা টেস্ট নিশ্চিত ড্রয়ের পথে যাচ্ছে। শনিবারের মতো রোববারও দুই দলের ক্রিকেটাররা মাঠে এসে খেলা না হওয়ায় ভীষণ হতাশ হয়ে ফিরে যান হোটেলে।
চট্টগ্রামের পর ঢাকা টেস্ট শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিতে ড্র হলে বাংলাদেশ দলের একাউন্টে যোগ হবে আরও ৬টি মূল্যবান পয়েন্ট। তবে টেস্ট ক্রিকেটের সেরা দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এভাবে পয়েন্ট পাওয়ায় মোটেও স্বস্তি অনুভব করছেন না স্বাগতিক দলের ডানহাতি ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার চেয়ে দুটি টেস্ট ম্যাচ অনন্ত পাঁচদিন মাঠে গড়ালে আরও বেশি খুশি হতেন বলে জানান এই টাইগার অলরাউন্ডার।
ওয়ানডে ক্রিকেট বাংলাদেশ দল বিশ্ব ক্রিকেটে একটা জয়াগা করে নিয়েছে। কিন্তু টেস্ট ফরম্যাটে এখনও সেভাবে বাংলাদেশ দল ধারবাহিকভাবে ভালো দলে পরিণত হতে পারেনি। তাছাড়া বছরে খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ হয় না টাইগারদের। তাই টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের এক নাম্বার দলের বিপক্ষে মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করতে মুখিয়ে ছিল টাইগাররা ক্রিকেটাররা।
কিন্তু চট্টগ্রামের পর ঢাকা টেস্ট ম্যাচও বৃষ্টির কল্যাণে ড্রয়ের পরিণতির জন্য অপেক্ষা করছে। তার ওপর বৃষ্টিতে টানা তিনটি দিন খেলতে না পারায় ভীষণ হতাশা প্রকাশ করেন মাহমুদুল্লাহ। কারণ দুটি দলই মাঠে খেলার জন্য আসছে। কিন্তু না খেলেই আবার ফিরতে হচ্ছে টিম হোটেলে। এভাবে বৃষ্টির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বড় দলের বিপক্ষে না খেলে পয়েন্ট পাওয়ার মধ্যে কোনো আনন্দ নেই বলে জানিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ।
এ বিয়য়ে স্বাগতিক দলের এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান বলেন, ‘টেস্টে ৬ পয়েন্ট পাওয়ার চেয়ে খেলাটা হলে আমরা বেশি উপভোগ করতাম। তবে আবহাওয়ার ওপর তো আর কারোর হাত নেই। দেখা যাক, কালকের দিন ( সোমবার) ভালো থাকলে অনন্ত মাঠে নামতে পারবো।’
বাংলাদেশ দল ওয়ানডেতে যতোটা ম্যাচ খেলে বড় দলগুলোর বিপক্ষে বছরে সেভাবে খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় না। তাই ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও দুটি টেস্ট ম্যাচ বৃষ্টির জন্য পুরো পাঁচটা দিন না খেলার একটা হতাশা থেকেই গেল।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্ট বৃষ্টির কারণে ভেসে যাওয়ার পর ঢাকা টেস্ট নিয়ে আশা ছিল মাহমুদুল্লাহর। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সে আশা আর পূরণ হলো না। এ কারণে হতাশা লুকাননি এই টাইগার অলরাউন্ডার।
মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘পুরো পাঁচদিন যদি দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারতাম তাহলে প্রস্তুতিটা খুবই ভালো হত। আমরা হারি-জিতি যেটা হোক, সেটা আমাদের কাজে দিত। কারণ আমরা বিশ্বের সেরা দলটির বিপক্ষে খেলতাম। সেই সঙ্গে এটা আমাদের জন্যে ইতিবাচক হতো এবং খুবই ভালো হতো। কারণ, আমরা তাদের স্কিলগুলোকে আরও ঝালিয়ে নিতে পারতাম।’

