তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি সারা বিশ্বে শিক্ষাদানের সনাতন পদ্ধতিতে অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশেও এর ছোঁয়া লেগেছে। ই-লার্নিং নিয়ে সৃজনশীল নানাবিধ কাজ চলছে| তবে সেটা বিচ্ছিন্ন ভাবে। আমরা এ সেমিনারের মাধ্যমে পরিবর্তনের এসব রূপকারদের একটি প্লাটফর্ম করে দিতে চাই। ডিজিটাল বাংলাদেশের আলোকবর্তিকা হবে ই-লার্নিং।’
আজ সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অডিটরিয়ামে ‘ই-লার্নিং ফর এডুকেশন এন্ড ট্রেনিং’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ই-লার্নিংয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো ইলেকট্রিসিটি ও কানেকটিভিটি। বিগত সাড়ে ছয় বছরে বর্তমান সরকার সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে উপজেলা পর্যেন্ত আমাদের কানেকটিভিটি বিস্তার লাভ করেছে।’
পলক আরও বলেন, ‘দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় ই-লার্নিং অসামান্য ভূমিকা পালন করেত পারে।’
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও সিলিকন ভ্যালির প্রতিষ্ঠান এসবিআইটি ইনকরপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে বিসিসি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ‘ফ্রেমওয়ার্ক ফর ই-লার্নিং ইউজিং মোবাইল ডিভাইসেস’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিলিকন ভ্যালির প্রতিষ্ঠান ‘ইসকুল’ এর সিটিও ড. সাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে তিনটি বিশেষ উপস্থাপনা পেশ করা হয়।
বিসিসির নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম ই-লার্নিং রোডম্যাপ ফর গভর্ণমেন্ট অফ বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি‘র অধ্যাপক সৈয়দ আখতার হোসেন ই-লার্নিং ইন বাংলাদেশ: একাডেমিক পার্সপেকটিভ এবং কোর নলেজের প্রধান নির্বাহী মুবাশ্বের মুনাফ মইন কর্পোরেট ই-লার্নিং ইন বাংলাদেশ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

