স্পোর্টস ডেস্ক : ব্রাজিল ও বার্সেলোনা তারকা নেইমার জানিয়েছেন, ক্লাব সতীর্থ লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কোনো লক্ষ্য তার নেই। নিজের মতো করে খেলে তিনি সেরা খেলোয়াড় হতে চান বলে জানান এই ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি গত ছয় বছরে চারবার ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেন। গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য এবারও তিনি ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল আগামী ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন চিলির মুখোমুখি হবে। দ্বিতীয় ম্যাচে ভেনেজুয়েলার মোকাবেলা করবে সেলেসাওরা। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই দুই ম্যাচ খেলতে পারবেন না ব্রাজিল অধিনায়ক নেইমার। তবে নভেম্বরে পরের ম্যাচে মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে পারবেন তিনি।
খেলোয়াড় হিসেবে মেসিকে যথাযথ সম্মান করলেও প্রতিপক্ষ হিসেবে যে এই আর্জেন্টাইন ক্ষুদে জাদুকর ভীষণ ভয়ঙ্কর সেটাও জানা আছে নেইমার জুনিয়রের।
নেইমার বলেন, ‘মেসি গ্রেট খেলোয়াড়। তার বিপক্ষে খেলাটা কখনো ভালো নয়, বেশ বিপজ্জনক। বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। কেননা, সবগুলো দলই অসাধারণ প্রস্তুতি নিয়ে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে। আমি মনে করি, আমাদের অনেক বেশি মনোযোগী ও প্রশিক্ষণ নিয়ে মাঠে নামতে হবে এবং ব্রাজিলকে চূড়ান্ত পর্বে নিয়ে যাওয়ার জন্য একান্ত মনোযোগ দিতে হবে।’
মেসির সঙ্গে বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ ট্রেবল জেতা নেইমার জানান, ব্যালন ডি’অরের সেরা তিন ফাইনালিস্টের তালিকায় থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তবে তিনি জানান, মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে তার নেই।
নেইমার বলেন, ‘আমি মেসিকে ছাড়িয়ে যেতে চাই না। আমি শুধু নিজের কাজটি ঠিকমতো করে নিজের মতো করে সেরা হতে চাই, শিরোপা জিততে চাই, আরো আরো গোল করতে চাই। আমি কাউকে ছাড়িয়ে যেতে চাই না, আমি কারো চেয়ে সেরাও হতে চাই না। আমি শুধু সেরা খেলোয়াড় হতে চাই, যেটা আমি হওয়ার সামর্থ আমার রয়েছে।’
ঘরের মাঠে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ‘বিধ্বস্ত’ হওয়ার এক বছর পর কোপা আমেরিকায়ও হোঁচট খায় ব্রাজিল। এই কারণে কোনো চাপ অনুভব করছেন না বলে জানান ব্রাজিল অধিনায়ক।
নেইমার বলেন, ‘আমি চাপ নেয়ার বা চাপ অনুভব করার মতো কোনো ব্যক্তি নই। চাপকে আমি আপন মনে করি এবং চাপে সব সময় শান্ত থাকার চেষ্টা করি। আমি জানি, অধিনায়ক হওয়া ও ১০ নম্বর জার্সি পরাটা অনেক বড় দায়িত্বের ব্যাপার। কিন্তু আমি এটি পছন্দ করি।’

