ঢাকাSunday , 12 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুনীতার সঙ্গে বেড়িয়ে আসুন মহাকাশে

Link Copied!

spaceতথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : মহাকাশের বেড়াতে যাবার শখ অনেকেরই। কিন্তু মহাকাশচারী হওয়ার আর সুযোগ নেই। তাই স্বপ্নটা কেবলই স্বপ্নই রয়ে গেলো। কিন্তু এবার বুঝি আপনার স্বপ্ন ডানা মেলতে শুরু করলো। সুযোগ এলো মহাকাশে বেড়াতে যাবার। সঙ্গে বাড়তি পাওনা হিসেবে পাওয়া যাবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসকে।
মহাকাশে যেনো মায়াময় সবকিছু। গভীর আঁধারের মধ্যে যখন আপনার চোখ আটকে থাকবে মায়াময় নীল পৃথিবীর দিকে, যখন আপনি আরও কাছ থেকে চাঁদ দেখে বিস্মিত হবেন তখন সুনীতার অভিজ্ঞ হাতে নিয়ন্ত্রিত হবে আপনার মহাকাশযান। এই কাজের জন্যই সুনীতাসহ চার জন অভিজ্ঞ মহাকাশচারীকে বেছে নিয়েছে নাসা।
এত দিন নিজে গিয়েছেন। এ বার মহাকাশে পর্যটক নিয়ে যাবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস। পর্যটকদের মহাকাশযানে করে পৃথিবীর খুব কাছের কক্ষপথে ঘুরিয়ে আনা হবে। বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই কাজে নেমেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নাসাকে লাভজনক কাজে লাগানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারই অন্যতম পদক্ষেপ এটি। এই কাজের জন্যই চার অভিজ্ঞ মহাকাশচারীকে বেছে নিল নাসা, যার মধ্যে এক জন সুনীতা।
এক সময়ে মার্কিন নৌসেনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুনীতা। এর মধ্যেই দু‘বার মহাকাশে গিয়ে ৩২২ দিন কাটিয়েছেন। প্রায় ৫০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট তিনি মহাকাশে পদচারণা করেছেন। মহিলা মহাকাশচারীদের মধ্যে এটি রেকর্ড। সুনীতা ছাড়াও এই দলে রয়েছেন রবার্ট বেনকেন, এরিক বো এবং ডগলাস হার্লে। বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে নতুন মহাকাশযান তৈরি, প্রশিক্ষণ, পরিকাঠামো তৈরি এবং আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মানুষ নিয়ে যাওয়া-আসার কাজে যুক্ত থাকবেন তারা। একই সঙ্গে ২০৩০ এ মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর কাজের সঙ্গেও যুক্ত থাকবেন এরা।
এত দিন মহাকাশে পর্যটক নিয়ে যেতে গেলে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে রাশিয়ার উপরে ভরসা করতে হত। রাশিয়ার সেই একাধিপত্যে ভাগ বসাতেই নাসার এই উদ্যোগ।
মহাকাশে পর্যটক নিয়ে যেতে সুনীতা বোয়িং, স্পেস এক্স এর মতো সংস্থার সঙ্গে কাজ করবেন। এর মধ্যেই এই সংস্থাগুলি আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত।
২০১৭ এ এই বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ ভাবে আবার উৎক্ষেপণের কাজ শুরু করবে নাসা। শুধু গবেষণাই নয়, মহাকাশ থেকে অর্থ উপার্জনও নাসার অন্যতম উদ্দেশ্য। বেশ কয়েক বছরের নাসার বাজেটে বড়সড় কাটছাঁট করেছে মার্কিন সরকার। ফলে এর মধ্যে নাসার মহাকাশযানগুলিকে বসিয়ে দিতে হয়েছে। তা ছাড়া অন্য প্রকল্পগুলির জন্যও বাজেট কমাতে হচ্ছে। তাই খরচ তুলতে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে নাসা।