ঢাকাTuesday , 7 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দ্য ‘এক্স ফ্যাক্টর’ অব দ্য অ্যাশেজ

Link Copied!

X-Factorস্পোর্টস ডেস্ক : অ্যাশেজ শব্দের অর্থ ছাইভস্ম। তার মানে আগামীকাল (৮ জুলাই) থেকে পরের সাত সপ্তাহ ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যুদ্ধ হবে ‘ছাই’ নিয়ে! গোটা ক্রিকেট দুনিয়ার চোখ থাকবে এই ছাইভস্মেও সিরিজের দিকে। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমগুলোও এ নিয়ে সরগরম। সাবেকরা তাদের বিশ্লেষণ জানাচ্ছেন। অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের কে কে ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারেন এই লেখায় থাকছে সেটাই।
স্টিভেন স্মিথ
অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক বর্তমানে আইসিসি টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে এক নম্বরে রয়েছেন। সর্বশেষ ছয় টেস্টে পাঁচটি সেঞ্চুরি মেরেছেন। গড়ও অবিশ্বাস্য ১৩১! নিশ্চিতভাবেই প্রত্যেক ইংরেজ বোলারই তাকে নিজের লক্ষ্য বানাবেন। অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারে এক্স ফ্যাক্টরের নামও স্মিথ।
আদিল রশিদ
নামটা ক্রিকেট বিশ্বে এখনও খুব একটা পরিচিত নয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাথা ব্যথার কারণ হতে পারে অচেনা আদিল রশিদ! বলা যেতে পারে তিনি ইংল্যান্ডের এক্স ফ্যাক্টর! সদ্য শেষ হওয়া নিউজিল্যান্ড সিরিজে উচ্ছ্বসিত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন রশিদ। কিউইদের লেগ স্পিনের ফাঁদে ফেলে পাঁচ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভন বলে দিয়েছেন, রশিদ একটা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
মিচেল এবং মিচেল
অস্ট্রেলিয়ার এম এম ফ্যাক্টর জনসন এবং স্টার্ক। দু’জনই তুঙ্গস্পর্শী ফর্মে আছেন। মিচেল জনসন তো মুখিয়ে আছেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে এর আগের অ্যাশেজে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ২০১৫ বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট মিচেল স্টার্ক সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও ১০ উইকেট তুলে নিয়েছেন। মাইকেল ক্লার্কের দল উইন্ডিজ সিরিজ জিতে নিয়েছে ২-০ ব্যবধানে। তাই বলা বাহুল্য, ইংলিশ টপ অর্ডারের জন্য কঠিন পরীক্ষার নাম জনসন-স্টার্ক!
জেমস অ্যান্ডারসন
ইংল্যান্ড যাদের কারণে অ্যাশেজ জিততে পারে বলে ক্রিকেটবোদ্ধারা বলছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম জেমস অ্যান্ডারসন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা তো বলেই দিয়েছেন, অ্যাশেজ সিরিজে অ্যান্ডারসন ব্যর্থ হলে ইংল্যান্ডও কিছু করতে পারবে না। ৩২ বছর বয়সী এই ইংলিশ ফাস্ট বোলার দুদিকেই বলকে সুইং করাতে জানেন। অ্যান্ডারসনের নিজের ভাষ্য, অস্ট্রেলিয়া ভালো দল কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডও উন্নতি করছে। যেটা তাদের অ্যাশেজে সাহায্য করবে।