ঢাকাSaturday , 4 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাহস নিয়ে খেলতে চান মাশরাফি

Link Copied!

Mashrafee3স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশের এই দলটা অনেক পরিবর্তিত, অনেক পরিণত। বিশ্বকাপের আগে থেকেই তারা দেখিয়ে আসছে, কিভাবে জিততে হয়। বিশ্বকাপে খেলেছে ভয়-ডরহীন। এরপর তো রূপকথার গল্পই রচনা করে গেছে মাশরাফি অ্যান্ড কোং। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ, ভারতকে প্রথমবারের মতো সিরিজ হারিয়েছে বাংলাদেশ।
এবার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। ধারাবাহিক এত সাফল্য থাকার পরও কেন যেন প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ভয় থেকেই যাচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। ভয়ঙ্কর সব ব্যাটসম্যান থেকে শুরু করে বোলার, দুর্দান্ত ফিল্ডিং- সব মিলিয়েই এই দলটি দুর্দান্ত। তারওপর ফতুল্লায় অনুষ্ঠিত একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশ যেভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে প্রোটিয়া বোলারদের সামনে- তাতে দুশ্চিন্তা বাড়ছেই।
তবে কোন কিছুই পরোয়া করতে রাজি নন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সদা একবুক সাহস নিয়ে যিনি চলতে ভালোবাসেন এবং যার সাহসের জোরে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান তিনি ম্যাচের আগেরদিন (আজ) সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন, ‘এই প্রোটিয়াদের বিপক্ষে কি করলে বাংলাদেশের জেতা সম্ভব?’ মাশরাফি বললেন, ‘আমাদেরকে সাহস নিয়েই খেলতে হবে। নিজেদের পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে আর মাথার খেলাটাও ভালোভাবে খেলতে হবে।’
দক্ষিণ আফ্রিকা শক্তিশালি দল। এটা মানেন মাশরাফিও। এ কারণেই বলছেন, ‘এবারই সত্যিকারের চ্যালেঞ্জের সামনে পড়লাম আমরা। এই চ্যালেঞ্জটা অনেক বড়। ওরা অনেক শক্তিশালি দল। ব্যাটিং-বোলিং যাই বলুন, ফিল্ডিং দিয়েও তারা যে কোন দলের ২০ থেকে ৩০ রান বাঁচিয়ে দিতে পারে।’
এই চ্যালেঞ্জ কিভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব? মাশরাফি বললেন, ‘বড় চ্যালেঞ্জ হোক না কেন, আমরা আর এসব ভয় পাই না। গত চার-পাঁচ মাস ধরে যেভাবে খেলে আসছি, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে কোন চ্যালেঞ্জই আর কঠিন কিছু বলে মনে হবে না।’
২০০৭ বিশ্বকাপের সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের পর প্রোটিয়াদের বিপক্ষে আর কোন জয় নেই। সবচেয়ে বড় কথা ২০১১ বিশ্বকাপে নিজেদের মাটিতে এই দলটির কাছেই ৭৮ রানে অলআউট হতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। বিষয়গুলো নিয়ে এখন আর পড়ে থাকতে রাজি নন মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘ওসব চিন্তা করলে তো ঘরে বসে থাকাই ভালো, তাই নয় কি? আসলে আমরা ওসব নিয়ে মোটেও চিন্তা করছি না। এখন কি অবস্থায় আছি, সেভাবেই আমরা মাঠে নামতে চাই।’
টি২০ দল নিয়ে মাশরাফির মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘দেখুন টি২০ আমাদের খেলা হয় না বললেই চলে। কোন ঘরোয়া টি২০ টুর্নামেন্ট নেই। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও খেলা কম। আমাদের দলের শুধু সাকিব আল হাসানই যা বিদেশের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে টি২০ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। আর বিপরীতে দেখুন! দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ৭/৮জনই নিয়মিত টি২০ খেলোয়াড়। আইপিএল থেকে শুরু করে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে তারা নিয়তিম খেলে আসছে।’
ভারতের বিপক্ষে খেলেছেন ৪জন পেসার নিয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দলের সমন্বয়টা কি হবে? জানতে চাইলে মাশরাফি বলেন, ‘আমাদের স্পিন শক্তি বরাবরই ভালো। বর্তমান সময়ে এসে পেস শক্তিতেও আমরা অনেকটা এগিয়ে এসেছি। ম্যাচের পরিস্থিতি কি হতে পারে এবং উইকেটের অবস্থা বিবেচনা করেই আমরা আসলে পেস এবং স্পিন সমন্বয়ে দল সাজাবো।’
প্রোটিয়া দলে রয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। যার সম্পর্কে আগেরদিনই কোচ হাথুরুসিংহে বলেছেন, ‘তাকে আউট করার জন্য শুধু প্রার্থনা করতে পারি।’ মাশরাফি পুরোপুরি একমত হতে পারলেন না। বললেন, ‘মানলাম সে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান। খুবই ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান। কিন্তু দিন শেষে সেও তো একজন মানুষ। একটি ভালো বলই যথেষ্ট তাকে থামাতে।’