তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকান্ডকে বর্তমান সরকার যথাযথ গুরত্ব দিচ্ছে। সে জন্য সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ১ হাজার নতুন ইনোভেশনকে টার্গেট করেছে। ইনোভেশন ফান্ডের সর্বোচ্চ সীমা ২০ লক্ষ টাকা থেকে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক।
তিনি আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁও এ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় উদ্ভাবনী কাজের জন্য অনুদান এবং উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নের জন্য ফেলোশীপ, বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে এক লিখিত বক্তব্যে এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান,কারো আর্থিক অসংগতির কারণে তার শিক্ষা জীবনে ছেদ পড়বে বা কারো কোন উদ্ভাবনী আইডিয়া বিকশিত করতে পারবে না, সে রকম সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমরা চাই না। সে বিষয়গুলো মাথায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ‘ইনোভেশন ফান্ড’ চালু করেছে।’
ইনোভেশন ফান্ডের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কায়কোবাদ বলেন, ‘জাপানও আমাদের মত ছোট দেশ কিন্তু তারা সম্পদের সুষম ব্যবহার করেই এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনে গুরত্ব দিয়ে আজ বিশ্ব অর্থনীতিতে অন্যতম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তাই আমদেরকেও সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, ‘নতুন নতুন উদ্ভাবন বিদ্যমান ব্যবস্থার সমূহ উন্নতি সাধন করতে পারে। তাই জাতির আর্থিক সমৃদ্ধি এবং উন্নয়ন নির্ভর করে উদ্ভাবনের উপর।’
ইনোভেশন ফান্ডের প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষের সূচনা বক্তেব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. হারুনুর রশিদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পার্থপ্রতিম দেব, হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব হোসনে আরা বেগম, কন্ট্রোলার অব সার্টিফায়িং অথরিটির নিয়ন্ত্রক জনাব জি এম ফখরুদ্দিন, তথ্য প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জসিম উদ্দিন আহমেদসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে চালু হওয়া এই ইনোভেশন ফান্ডের অধীনে বছরে ৩ বার উদ্ভাবনী কাজের জন্য অনুদান এবং উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নের জন্য ফেলোশীপ,বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার বা তাদের উদ্ভাবনী কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্য ইনোভেশন ফান্ডে আবেদন করতে পারে। পাশাপাশি মাস্টার্স, এম.ফিল ও ডক্টরাল ডিগ্রিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীগণ তাদের উচ্চ শিক্ষা এগিয়ে নেয়ার জন্যও ফেলোশীপ,বৃত্তির আবেদন করতে পারে।

