ঢাকাThursday , 25 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যাকাতকে করমুক্ত করার দাবি

Link Copied!

Zakatঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : যাকাতকে করদাতার ব্যক্তিগত খরচ হিসেবে গণ্য করে পারিবারিক খরচের সাথে যোগ করে কর আদায়ের বিধান রয়েছে। তাই যাকাতকে সম্পূর্ণ করমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যাক্স ফেয়ার সোসাইটি। সেই সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশের উন্নয়নে এবারের বাজেটকে বাস্তবমুখী করার জন্য কিছু প্রস্তাবনাও দেয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত জাতীয় বাজেটোত্তর অর্থ বছর ২০১৫-১৬ এর উপর আলোচনাকালে এ দাবি এবং প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়।
তিনি বলেন, ‘অনেক করদাতাই ধর্মীয় আচার-রীতি মেনে প্রতিবছর যাকাত দেন। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রদানকৃত যাকাতের খরচকে ব্যক্তিগত খরচ হিসেবে ধরেন। এবং সেটাকে পারিবারিক খরচের সঙ্গে যুক্ত করে কর আরোপ করেন। আয়কর রির্টানের সময় মূল করের সাথে এই সেবাপ্রদানকারী যাকাতের করও ধরা হয়। যার ফলে করদাতাদের বেশি হারে মূল করের চাইতেও অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হয়। তাই মুসলিম প্রধান দেশে সেবাপ্রদানমূলক যাকাতের মতো কার্যক্রমকে ব্যক্তির প্রত্যক্ষ খরচ হিসেবে গণ্য করে অতিরিক্ত করের বোঝা মুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।’
মো. হান্নান হোসেন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ঘোষিত বাজেট গতানুগতিক। এই বাজেট বাস্তবমুখী হলে দেশ উন্নয়ন হতো। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবমুখী নয়। কেননা এখানে ঘুষ, দুর্নীতি প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থা নেই। বেকারত্ব দূর করার কোন পদক্ষেপ নেই। কর ফাঁকি রোধে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শাস্তির বিধান নেই। তাই দেশের উন্নয়নে এ বাজেটকে বাস্তবমুখী করার জন্য কিছু প্রস্তাবনা পেশ করছি।’
সংগঠনের পক্ষ থেকে হান্নান হোসেনের দেয়া প্রস্তাবনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- ব্যক্তি শ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পযর্ন্ত বৃদ্ধি করা। প্রস্তাবিত বাজেটে নূন্যতম করের পরিমাণ যে ৪ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছিল তা বাতিল করে আগের নিয়ম বহাল রাখা। সেই সঙ্গে ব্যাংক সুদের উপর যে ৩০ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করা এবং আয়কর অধ্যাদেশের ১৯এর (২৯,৩০.৩১) এই ধারাগুলো প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি।
সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আবুল হাসিব বলেন, ‘কো-অপারোটিভ সোসাইটিগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সমবায় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিগত বছরগুলোতে এ কো-অপারেটিভ সোসাইটির উপর পৃথক কর হার ছিলনা। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। তাই প্রস্তাবিত এই কর হার বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’
সংগঠনের সভাপতি মো. নূরুল আজহার শামীমের সভাপতিত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।