আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউরোপীয় ইউনিয়ন নৌবাহিনীর একটি বিশেষ দলকে সমুদ্রসীমায় নিযুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। দলটি বিশেষ করে লিবিয়াকেন্দ্রিক মানবপাচারকারীদের তৎপরতা রোধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে। ইইউ’র পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ফেদেরিকা মগেরিনি জানান, এ বাহিনীর নেতৃত্বে থাকবেন ইতালীয় অ্যাডমিরাল। এবং এর সদরদপ্তর স্থাপিত হবে রোমে। আগামী মাস থেকে মূলত এ বাহিনী কাজ শুরু করবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপ শেষ হওয়ার পর গণমাধ্যমকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ফেদেরিকা মগেরিনি। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালিসহ অন্যান্য উপকূলীয় ইউরোপীয় দেশ মানবপাচারকারীদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। এর সমস্যা প্রতিবিধানের লক্ষ্যে উক্ত ইউরোপীয় নেতাদের নিয়ে ঐ বৈঠক আয়োজিত হয়েছিল। তবে উপকূলে মানবপাচারকারীদের ঠেকাতে সরাসরি সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহারে কিছু আইনী বাধা রয়েছে।
এরূপ আইনী বাধা অপসারণে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে পর্যাপ্ত লবিংএ যাবে যুক্তরাজ্য। মগেরিনির ভাষ্য অনুযায়ী মূলত তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ করবে গঠিত সশস্ত্র নৌবাহিনী। এগুলো হলো পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি পরিচালনা, পাচারকারীদের খুঁজে বের করা স্বার্থে পর্যাপ্ত তল্লাশি পরিচালনা ও আটক করার ক্ষমতা প্রয়োগ করা এবং চূড়ান্ত সংকটের মুখোমুখি হলে পাচারকারীদের নৌকা বিধ্বস্ত করা।
শেষ ক্ষমতাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে মগেরিনি বলেন, নৌকা ধ্বংস কৃরা হবে বলতে আক্ষরিক অর্থে নয়, বরং সার্বিক অর্থে পাচারকারীদের বাণিজ্যিক চক্রান্তজাল নস্যাৎ করে দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

