ঢাকাThursday , 7 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিজিটাল সেবা চালু হওয়ায় অর্থ সাশ্রয় হয়েছে: জয়

Link Copied!

joyতথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘ ডিজিটাল সেবা চালু হওয়ায় নাগরিকদের বছরে আনুমানিক ৪৫০ কোটি টাকা এবং সরকারের ৬৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে’। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ডিজিটাল ইনভেস্টমেন্ট সামিটে’ তিনি এ কথা বলেন।
সামিটে ‘ফরম ভিশন টু রিয়্যালিটি: ইন্টারনেট ফর অল অ্যান্ড ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক বক্তব্যে জয় বলেন, ‘ডিজিটাল সেবা চালু হওয়ায় সিদ্ধন্ত গ্রহণসহ সময়ের সাশ্রয় হচ্ছে। সেই সঙ্গে বেঁচে যাচ্ছে অর্থ।বাংলাদেশ দ্বিতীয় প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা থেকে তৃতীয় প্রজন্মে এসেছে। শিগরিই চতুর্থ প্রজন্মের সেবা আসছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, দেশে বর্তমানে এক কোটি ২০ লাখ মানুষ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহার করছে। বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্তদের হার ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬২ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৯ শতাংশ হয়েছে।
ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, আমাদের ডিজিটালাইজেশনের হলমার্ক হল দরিদ্র ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন গত মহাজোট সরকারের সময় প্রতিষ্ঠিত ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ নাগরিককে সেবা দেওয়া এবং সেখানে কাজ করে গ্রামীণ স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অর্থ আয়ের বিষয়টিও তুলে ধরেন সজীব ওয়াজেদ।
এসব কেন্দ্র থেকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভূমি রেকর্ড, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, সরকারি ফরম পূরণ, মোবাইল ইন্টারনেট, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইনে বিভিন্ন বিল পরিশোধ, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সেবাসহ জনগণের নানা ধরনের সেবা পাওয়ার তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেবা চালু হওয়ায় নাগরিকদের বছরে আনুমানিক ৪৫০ কোটি টাকা এবং সরকারের ৬৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
ইতোমধ্যে ২৫ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষ গড়ে তোলা এবং ভকেশনাল তথ্য-প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানান জয়।
এছাড়া তথ্য-প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি বাড়াতে আগামী তিন বছরে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তিনি তুলে ধরেন। তথ্য-প্রযুক্তির পাঠ্যক্রম প্রণয়ন ও এ খাতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির কথাও তুলে ধরেন জয়।
তিনি বলেন, দেশে বিশ্বমানের শক্তিশালী তথ্য-প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
দেশে মোবাইল ফোন শিল্পের শক্তিশালী ভূমিকা তুলে ধরে জয় বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশের একটি, যেখানে ৯৯ শতাংশ মানুষ মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে।
২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সব ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
জয় বলেন, ছয় বছর আগেও বিদ্যুৎ পাওয়া এবং তথ্য-প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলা অসম্ভব ছিল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও জন ফ্রেডরিক বাকসাস ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান।