নিজস্ব প্রতিবেদক : মাননীয় প্রক্টর, আপনার যদি বিন্দুমাত্র লজ্জা থাকে তবে তাড়াতাড়ি সরে যান। নতুবা ছাত্ররা টেনেহিঁচড়ে চেয়ার থেকে নামিয়ে দেবে। আজকে যেভাবে গেট ভাঙা হয়েছে, আগামীতে সেভাবে আপনার হাত-পা ভেঙে দেয়া হবে।
নববর্ষে নারীকে যৌন হয়রানির ২৩ দিন পার হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারায় প্রক্টরের অপসারণ এবং ৬ দফা দাবিতে চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার উপাচার্য অফিস ঘেরাও কর্মসূচিতে এ হুঁশিয়ারি দেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের নেতারা।
এর আগে অপরাজেয় বাংলা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে ক্যাম্পাস ঘুরে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে যায়। কিন্তু উপাচার্য কার্যালয়ের সবগুলো গেট বন্ধ থাকায় তারা গেট ভাঙার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে গেটের দুটি লোহার পাত ভেঙে ফেলে। তারপরও ভেতরে ঢুকতে না পেরে তারা কার্যালয়ের সামনেই সমাবেশ করে।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন ঢাবি শাখা সভাপতি লিটন নন্দী বলেন, ‘আমরা মনে করি, এ ঘটনায় প্রক্টরের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। নতুবা তিনি কোনো তদন্ত ছাড়াই কীভাবে রায় দিয়ে দেন। আমরা বেহায়া প্রক্টরকে বলতে চাই, আপনি তাড়াতাড়ি সরে যান, নতুবা ছাত্ররা আপনাকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে দেবে।’
এসময় ছাত্র ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার আল ইমরান, ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান তারেক, ও ছাত্র ফেডারেশন সভাপতি এম এইচ পারভেজ লেনিন তাদের বক্তব্যে একই দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে দাবি মানা না হলে পরবর্তীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

