ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা

শিক্ষা ডেস্ক
October 29, 2026 9:00 am
Link Copied!

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার পেশার প্রতি উচ্চশিক্ষিত ও মেধাবী তরুণদের আগ্রহ দিন দিন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত আইপিইএমআইএস প্রতিষ্ঠানের সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে এই ইতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। ইউনিসেফ ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত এই তথ্যে দেখা গেছে, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষায়িত পেশাদার ও উচ্চতর ডিগ্রিধারীরা এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রায় এক লাখ শিক্ষক স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক স্নাতক সম্মান সম্পন্ন করেছেন। ধর্মীয় শিক্ষার বিভিন্ন স্তরের ডিগ্রিধারী যেমন কামিল, ফাজিল ও আলিম পাস করা শিক্ষকরাও এই পেশায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এই বৈচিত্র্যময় শিক্ষকসমাজ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ঐতিহ্যগত পড়াশোনার বাইরে প্রকৌশল, কৃষিবিজ্ঞান, আইন এবং কম্পিউটার সায়েন্সের মতো আধুনিক ও কারিগরি বিষয়ে ডিগ্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, এলএলবি ও এলএলএম পাস করা আইনজীবী ছাড়াও চিকিৎসা ও নার্সিং পেশার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। এমনকি উচ্চতর গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এমন চার ডজনের বেশি গবেষকও প্রাথমিক স্তরের কোমলমতি শিশুদের পাঠদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা পুরুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সারা দেশের প্রায় ৬৫ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে দুই লাখের অধিক নারী শিক্ষক কর্মরত আছেন, যা মোট শিক্ষকের প্রায় দুই-thirds অংশ। অন্যদিকে বয়স বিবেচনায় ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা বিদ্যালয়গুলোতে অভিজ্ঞ ও কর্মক্ষম জনবলের শক্তিশালী উপস্থিতির নির্দেশ করে।