ঢাকাWednesday , 15 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১লা বৈশাখে নারীর শ্লীলতাহানী, দোষীদের শাস্তির দাবিতে আলটিমেটাম

Link Copied!

ramnaনিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নববর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এসে হাজারো মানুষের ভিড়ে বখাটেদের যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে বেশ কয়েকজন নারী। এসময় নারীদের বাঁচাতে গিয়ে আহত হন ঢাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন। এঘটনায় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা ও পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আলটিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
বুধবার দুপুরে ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে আলটিমেটাম দেন নেতারা। একই সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়। আর যদি ব্যবস্থা নিতে না পারে তাহলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেক। তিনি বলেন, ‘গতকাল ৩০-৩৫ জন যুবক প্রকাশ্যে নারীদের যে যৌন হয়রানি করেছে সেটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। যা পরিস্থিতিকে আরো নাজুক করে ফেলে। এসময় ছাত্র ইউনিয়নে নেতাকর্মীরা এগিয়ে আসলে সংগঠনের ঢাবি সভাপতি লিটন নন্দী, রমনা থানার সাধারণ সম্পাদক অমিত দেসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে জানালে তারা দায়সারা বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে একে অপরের উপর দায়ভার চাপানোর চেষ্ট করেছেন। টিএসসি ও মিলন চত্বরে টহলরত পুলিশের কাছাকাছি জায়গায় এ ঘটনা ঘটে যেখানে পুলিশের কন্ট্রোল রুম ও সিসি ক্যামেরা ছিল। তা সত্ত্বেও পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করে। আমরা অবিলম্বে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আগামী ৭ দিনের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে অনুরোধ করছি। যদি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে কঠোর কর্মসূচি নেয়া হবে।’
এর আগে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও ছাত্র ইউনিয়ন পৃথক পৃথক ব্যানারে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার মধুর ক্যান্টিনে এসে শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বর্ষবরণে উদ্যানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় ২৫-৩০ জন যুবক মিলে তিনজন নারীকে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করেন। বখাটেরা নারীদের শাড়ি ধরে টান দেয় এবং তাদের বিবস্ত্র করার চেষ্টা করে। কেউ কেউ শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়ার চেষ্টাও করে। এসময় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা এগিয়ে আসলে বখাটেরা তাদের ওপর আক্রমণ করে। পরে পুলিশের লাঠিপেটা ও যৌন হয়রানীকারীদের আক্রমণে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখা সভাপতি লিটন নন্দীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী বলেন, পুলিশকে বলা হয়েছে জড়িতদের খুঁজে বের করতে। এ ঘটনায় জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। প্রয়োজন হলে আশপাশের কয়েকটা থানায় তাদের ফুটেজ দেয়া হবে।
তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশকে বলেছিলাম, বিকেল ৪টার মধ্যে উদ্যানের গেইট বন্ধ করে দিতে। কিন্তু তারা সেটা করেননি।’