ঢাকাThursday , 27 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘যত্নের তানপুরা’ নিয়ে ফিরলেন নাজু আখন্দ

বিনোদন ডেস্ক
August 27, 2026 7:39 pm
Link Copied!

দীর্ঘ বিরতির পর নতুন মৌলিক গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে ফিরেছেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। তার নতুন গানের শিরোনাম ‘যত্নের তানপুরা’। মেলোডিনির্ভর এই গানে উঠে এসেছে ভালোবাসা, অভিমান ও হারানোর হাহাকার।

গানটির কথায় রয়েছে ‘যত্নের তানপুরাটা ভেঙে ফেলেছি/ আমি আর গান গাইবো না’- এমন আবেগঘন পঙ্‌ক্তি। নাজুর কণ্ঠে গানটি পেয়েছে বিষণ্নতার এক আলাদা আবহ।

ঢাকায় গানটির সংগীতায়োজনের কাজ হলেও নাজু আখন্দর ভয়েস দিয়েছেন নিউইয়র্কের পিংক ভয়েস স্টুডিওতে। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন আল মাসুদ। নিউইয়র্কের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে ধারণ করা ভিডিওতে মডেল হয়েছেন তানহা।

‘যত্নের তানপুরা’ গানটির কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী। সুর করেছেন এহসান রাহী। মিউজিক প্রোগ্রামিং ও অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন সবুজ আশীষ (স্টুডিও আলাপ)। গানটির মিক্স-মাস্টারিং করেছেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী।

নতুন গান প্রসঙ্গে নাজু আখন্দ বলেন, ‘গান আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অনেক দিন পর মৌলিক গান নিয়ে এলাম। আমি যে গানগুলোই করেছি, খুব যত্ন নিয়ে করেছি। এটিও তাই। এটি মেলোডি ধাঁচের গান। কথা-সুর যে কারও ভালো লাগবে। খুব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিল্পীরা অনেক কষ্ট করে গান বানাই। সেটা যখন শ্রোতাদের ভালো লাগে, তখনই পরিশ্রমটা সার্থক হয়। যারা ভালো কথা-সুরের গান শুনতে চান, এটি তাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।’

গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) ইউটিউবের ‘শব্দ কারিগর’ চ্যানেলে প্রকাশ পেয়েছে ‘যত্নের তানপুরা’ গানটির ভিডিও।

সাভারে জন্ম নেওয়া নাজু আখন্দ স্কুলে পড়ার সময়ই সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেন। ২০০০ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘কাঁচা হলুদের রং’। এরপর ২০০৯ সালে ‘স্বপ্নকন্যা’, ২০১৩ সালে ‘একটু জায়গা দে’ এবং ২০১৫ সালে ‘ফিরিয়ে দাও আমার প্রেম’ শিরোনামে একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি।

২০০১ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘মায়ের সম্মান’ গানটির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন নাজু। এরপর প্রায় দুই দশকের বেশি সময়ের সংগীতজীবনে সিনেমায় প্রায় ২৫০টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।