ঢাকাSaturday , 20 June 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গ্যালারিতে বসে দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

Link Copied!

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)’-এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের এই ফাইনাল ম্যাচ ও তাদের নৈপুণ্য গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২০জুন) বিকেল চারটার দিকে প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছেন। পরে তিনি ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে মোট চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করেছে।

টুর্নামেন্টের বালিকা বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ফাইনালে মুখোমুখি হবে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী আসার আগে বালক বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর মডেল সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই খেলায় দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে এরইমধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

২২লাখ শিক্ষার্থীর মহাযজ্ঞ
গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন টুর্নামেন্টের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত ৬ এপ্রিল শুরু হওয়া এই বিশাল প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৫ হাজার ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১লাখের বেশি ছাত্র ও ১১লাখের বেশি ছাত্রী অংশ নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, একেবারে গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় ধাপ পেরিয়ে দীর্ঘ লড়াই শেষে সেরা দলগুলো ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবল প্রতিভা খুঁজে বের করার এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে। আগামী আসরে অন্তত ৫০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।