ঢাকাMonday , 6 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জবির প্রাণীবিদ্যা বিভাগে অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগ

Link Copied!

jnuনিজস্ব প্রতিবেদক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নির্ধারিত ফি আদায়ের খাত ছাড়াও গবেষণার উন্নয়ন ও কম্পিউটার ল্যাব তৈরির নামে প্রাণীবিদ্যা বিভাগে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, গবেষণার উন্নয়ন ও কম্পিউটার ল্যাব তৈরির নামে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিভাগের ৭৮তম একাডেমিক কমিটির সভায় প্রত্যেক সেমিস্টারে ভর্তির সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি আদায়ের খাত ছাড়াও অতিরিক্ত ২৫০ টাকা আদায় করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অতিরিক্ত এ টাকা বিভাগের ল্যাব ফি জমা রশিদের মাধ্যমে আদায় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিভাগীয় সূত্রে আরো জানা যায়, একাডেমিক কমিটির সভায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত বৈধতা দেয়ার জন্য একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের বরাবর অবেদন করা হয়।
বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অবেদনপত্রে বলা হয়, অতিরিক্ত এ ফি আদায়ের জন্য বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটি দরখাস্ত নেয়া হয়েছে।
উপাচার্যের কাছে পাঠানো আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষরিত দরখাস্ত ও বিভাগীয় কমিটির সভার সুপারিশের ব্যাপারটি সংযুক্ত করা হয়।
অতিরিক্ত ফি আদায়ের ব্যাপারটি অনুমতি না দিয়ে বিভাগীয় সভায় সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আবেদনপত্রটি বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়ে দেন উপাচার্য। এরপর বিভাগের ৭৮তম সভার অতিরিক্ত ফি আদায়ের সিদ্ধান্তটিই বহাল রাখা হয়।
অতিরিক্ত ফি আদায়ের ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, তাদের অনুমতি না নিয়েই এ ফি আদায় করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্ত নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, ১০ম ব্যাচের (২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় বিভাগের পক্ষ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। এছাড়া আর কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। বিষয়টি বুঝতে পেরে অন্য কোনো ব্যাচের শিক্ষার্থী এতে স্বাক্ষর করেননি।’
এ ব্যাপারে জানতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।