ঢাকাMonday , 11 May 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুনরায় রিমান্ডে সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক আফজাল নাছের

Link Copied!

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দমন-পীড়ন, নাশকতায় অর্থের জোগান ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে করা মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরকে পুনরায় রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১১ মে) ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান আসামির তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হক আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর কোতোয়ালি থানায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলাটি করা হয়। এতে ১৭ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আফজাল নাছের। তার স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর সেনবাগে হলেও বর্তমানে তিনি ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় বসবাস করছেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আফজাল নাছের এরই মধ্যে দুই দফায় মোট ছয়দিনের রিমান্ডে ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণে আফজাল নাছেরকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের দমনে অন্যতম অর্থ জোগানদাতা হিসেবে পাওয়া গেছে। তার নির্দেশনায় ঘটনাস্থলে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

পুনরায় রিমান্ড চাওয়ার পেছনে তিনটি কারণ বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। সেগুলো হলো- মামলার অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত অর্থের উৎস এবং ব্যয়ের খাত উদ্ঘাটন এবং ঘটনার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের শনাক্ত করা।

আবেদনে বলা হয়, আফজাল নাছের বিগত সরকারের ‘দোসর’ ও অর্থ জোগানদাতা হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলন প্রতিহত করতে তার নির্দেশনায় সংঘবদ্ধ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।

গত ৮ মে তাকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। সেদিন শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।