ঢাকাTuesday , 31 March 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১ লাখ ৯৩ হাজার টন জ্বালানি মজুত আছে

Link Copied!

মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মোট মজুতের পরিমাণ এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মনির হোসেন চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার জ্বালানি তেলের মোট মজুতের পরিমাণ এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন। এর মধ্যে ডিজেল এক লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।

তিনি বলেন, আমাদের যে কার্গোগুলো আসে সেগুলো থেকে নিয়মিত খালাস হয়ে একটা ফিগার যুক্ত হতে থাকে। তাই আমরা প্রতিদিন যে যে পরিমাণ সরবরাহ করে থাকি আবার নতুন করে একটা তেল যুক্ত হয়।
ডিজেল পাচারের বিষয়ে সরকার সজাগ আছে জানিয়ে যুগ্ম সচিব বলেন, সরকার এ নির্দেশনা দিয়ে রেখেছে, এটা যাতে এটা (পাচার রোধ) নিশ্চিত করা হয়।

গত ৩ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য মোট ৩ হাজার ৫৫৯টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে জানিয়ে যুগ্ম সচিব বলেন, অভিযানে মোট এক হাজার ২৪৪টি মামলা হয়েছে। মোট ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় ও ১৯ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে এ সময়ে অবৈধভাবে মজুত করা মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ডিজেল ২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৫ লিটার, অকটেন ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার এবং পেট্রোল ৬০ হাজার ২ লিটার ছিল বলেও জানান মুখপাত্র।

পেট্রোল পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করি এই ট্যাগ অফিসাররা অত্যন্ত নিবিড়ভাবে জিনিসগুলো তদারকি করবেন এবং আগের চেয়ে আরও ভালো ব্যবস্থাপনা হবে, ইনশাআল্লাহ।

‘আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে, আমাদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। আমরা রাত-দিন পরিশ্রম করছি, যেন জ্বালানি খাতে কোনো রকম সমস্যা তৈরি না হয়, যেন মানুষকে শান্তি দিতে পারি।’

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমাদের সরবরাহ ব্যবস্থা যতটুকু চাহিদা সেটা কীভাবে নিশ্চিত করা যায় সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমরা জ্বালানি তেল জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) এবং ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কিনে থাকি। এখন এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেকে জি-টু-জি বিষয়টি বাতিল করতে পারে। এটাও আমরা মাথায় রেখেছি এটার বিকল্প কী হতে পারে? সেভাবেই আমরা কাজ করছি।

‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে আমরা বেশ কিছু প্রস্তাব (তেল কেনা সংক্রান্ত) পাঠিয়েছি। সেগুলো অনুমোদন হলে আমরা হয়তো যে যে উৎস থেকে তেল পাওয়ার কথা, সেগুলো পেয়ে যাবো। আশা করি, ইনশাল্লাহ অসুবিধা হবে না।’ বলেন মুখপাত্র।

গত বছরে এপ্রিল মাসে যে তেল দেওয়া হয়েছে এবার এপ্রিলে এর চেয়ে কম দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ যদি স্বাভাবিকভাবে কেনে তাহলে কোনো অসুবিধা হবে না।