নিজস্ব প্রতিবেদক: জীববিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব। জাতীয় পর্যায়ে দেশে এ ধরনের আয়োজন এই প্রথম। বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কমিটি এ উৎসবের আয়োজন করে।
শুক্রবার সকালে উৎসব শুরু হয়ে চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। উৎসবের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো বুয়েটের সাবেক প্রফেসর ড. আলী আসগর।
উৎসবে জীব বিজ্ঞান বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানের আগে ১ ঘণ্টার একটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ছিল প্রশ্নোত্তর পর্বও।
আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যলয়ের উপাচার্য প্রফেসর শাদাত উল্লা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে ভেন্যু বানানোর জন্যে আয়োজকদের ধন্যবাদ দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘একবিংশ শতাদ্বী বায়োলজিস্টদের শতাব্দী। প্রতিবছর এক শতাংশ হারে আবাদি জমি কমছে। তাই খাদ্যে সংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্যে বায়োলজিস্টদের প্রয়োজন।’
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. শহীদুর রশীদ ভুইয়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘বায়োলজি দিয়েই বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক বিশিষ্ট কৃষি বিজ্ঞানী ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস, এসিআই এগ্রিবিজনেসের নির্বাহী পরিচালক ড. এফ. এইচ. আনসারী, এগ্রিকেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান।
ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী উৎসবে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কমিটির পক্ষ থেকে সনদপত্র দেয়া হয়।
এছাড়া জুনিয়র, সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডোরি- এ তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃতও করা হয়।
২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভেন্যুতে জীববিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করে আসছে জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কমিটি।

