ঢাকাTuesday , 24 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পবিপ্রবিতে ফেল করেও চূড়ান্ত পরীক্ষায়!

Link Copied!

pstu-logoপটুয়াখালী প্রতিনিধি: ৩১ কোর্সে (৫৮ক্রেডিট) অকৃতকার্য হয়েও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের এক ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অবৈধ সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার পর্যন্ত ১০ কোর্সের বেশি কোর্সে অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থীকে ৭ম সেমিস্টারে ভর্তি, ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ না থাকলেও রহস্যজনক কারণে সফিউল আলম নামে ওই ছাত্রকে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে প্রশাসন। এমনকি বিশেষ পরীক্ষার আওতায় তার ফেল করা ৩১ কোর্সের আলাদা পরীক্ষা নেয়ার পায়তারা করছে।
এ বিষয়ে প্রশাসন ও শিক্ষকরা একে অপরের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তে শিক্ষক, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
কৃষি অনুষদের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের লস্কার সফিউল আলম ডালিম (রেজি. ৩৩২৬) ৬ষ্ঠ সেমিস্টার পর্যন্ত ৫৮ ক্রেডিটে (৩১কোর্স) ফেল করে। ফেল করার পরও রহস্যজনক কারণে ডালিম ৭ম সেমিস্টারে ভর্তির সুযোগ পান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী, কৃষি অনুষদের কোনো শিক্ষার্থীর ৬ষ্ঠ সেমিস্টার পর্যন্ত ১১ কোর্সে ফেল থাকলে ৭ম সেমিস্টারে ভর্তির সুযোগ নেই। আর ৭ম সেমিস্টারে ভর্তি হতে হলে বিভিন্ন সেমিস্টারে ফেল করা কোর্সগুলো নিয়মিত সেমিস্টারের (১ম-৬ষ্ঠ পর্যন্ত) পরীক্ষার ফের অংশগ্রহণ করে পাস করতে হবে। সেক্ষেত্রে ৭ম সেমিস্টারে ভর্তি হতে হলে একজন শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ ১০ কোর্সে ফেল থাকতে পারবে।
এ ব্যাপারে কৃষি অনুষদের ডিন ও ডিন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. হামিদুর রহমান বলেন, ‘অকৃতকার্য  শিক্ষার্থীরা ৭ম সেমিস্টার বহাল রেখে শর্ট সেমিস্টার পরীক্ষা নেয়ার জন্য আবেদন করেছেন। একাডেমিক কাউন্সিল আবেদন বিবেচনা করে দেখছে।’
তিনি ডালিমের ব্যাপারে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর অনেক শিক্ষার্থী পড়াশুনা প্রতি উদাসীন থাকে। অনেকে নারীঘঠিত বিষয়ে জড়িয়ে পড়াশুনার খেই হারিয়ে ফেলে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদের এ সুযোগ দেয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘আমি বেশি কিছু বলতে পারবো না। এ ব্যাপারে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
উল্লেখ্য, ডালিমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সেমিস্টারের প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টর অফিস তাকে একাধিকবার সতর্ক বার্তা দিলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।