ঢাকাMonday , 20 October 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুবদল নেতার ছত্রছায়ায় এখনও প্রভাবশালী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট
চৌধুরীপাড়ার নূর মসজিদ ও মাদ্রাসায় চলছে এক অদৃশ্য শক্তির রাজত্ব

Link Copied!

ঢাকার চৌধুরীপাড়া এলাকায় অবস্থিত মসজিদে নূর ও শেখ জয়নূরুদ্দীন (রহ.) দারুল কুরআন মাদ্রাসা এলাকাবাসীর ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের এক অটুট কেন্দ্রবিন্দু। এই মাদ্রাসাটি দেশের অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বত্র পরিচিত। ইসলামী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে তৎকালীন সময়ে বিশিষ্ট দানবীর মরহুম জনু হোসেন ওরফে জনুরুদ্দীন (রহ:) বরকতময় কাজের জন্য ১৯৫৪ সালের দিকে তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে নিজের প্রিয় জমি আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী স্বরূপ ওয়াকফ করে দেন। ১৯৬৯ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী “শেখ জনুরুদ্দীন (রহ:) দারুল কুরআন মাদরাসা। পরবর্তীতে তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেন পুত্র বোরহানউদ্দীন। আর সেই ধারাবাহিকতায় তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব এসে পড়ে তাঁর সন্তান ইমাদুদ্দীন নোমানের কাছে যিনি আজ মসজিদ ও মাদরাসার মুতাওয়াল্লি ও প্রধান তত্ত্বাবধায়ক। কালের পরিক্রমায় সেদিনের সেই নূর-ই মসজিদ ও মাদরাসা আজ ঢাকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ দ্বীনি শিক্ষার আন্তর্জাতিক একটি শিক্ষা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে শিক্ষা লাভ করে হাজার হাজার ছাত্র দেশ বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়ে মর্যাদার সাথে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি ইসলামের আলো বিতরণ করছে। ধর্মীয় অনুরাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সমাজে প্রভাব; সব মিলিয়ে একসময় নোমানকে এলাকাবাসী দেখতেন এক সৎ, প্রজ্ঞাবান ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে। তাঁর পরিচালনায় মসজিদ ও মাদ্রাসা এগিয়ে যায়, নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দেখা যায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার ছাপ। কিন্তু গল্পটা এখানেই শেষ নয়। সময়ের পরিক্রমায় ধীরে ধীরে উন্মোচিত হতে থাকে এক ভিন্ন চিত্র। এক অদৃশ্য শক্তির ছায়া, যা বদলে দেয় মসজিদে নূর ও শেখ জয়নূরুদ্দীন (রহ.) দারুল কুরআন মাদ্রাসার প্রকৃত রূপ। শুরুতেই যে নামটি সামনে এসেছে, তিনি মো. রাসেল, এলাকায় পরিচিত গনি নামে। পড়াশোনায় খুব বেশি দূর না গেলেও, অঙ্ক ও হিসাবের জটিল সমীকরণে তাঁর দক্ষতা ছিল অসাধারণ। এই হিসাব-নিকাশের নিখুঁত দক্ষতাই তাঁকে পরিণত করে অদৃশ্য এক শক্তিবলয়ের আর্থিক মস্তিষ্কে। মাথায় টুপি, গায়ে পাঞ্জাবি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মোড়ানো সেই চেহারার আড়ালেই তিনি পরিচালনা করেন নূর মাদ্রাসা ও মসজিদের সব অনৈতিক আর্থিক কর্মকাণ্ড। তহবিল ব্যবস্থাপনা, দান-অনুদানের হিসাব, এমনকি জমি ক্রয়-বিক্রয়ের লেনদেন সবই তাঁর নিয়ন্ত্রণে। স্থানীয়রা তাঁকে ডাকে “মিন মিননা শয়তান” অর্থাৎ, বাইরে থেকে নরম ও ধর্মভীরু, কিন্তু অন্তরে চতুর, হিসাবি ও প্রভাবশালী এক মানুষ। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি দীর্ঘদিনের কর্মরত এক প্রিন্সিপালকে সরিয়ে দিয়ে সেই মাদ্রাসার ফ্ল্যাটে নিজের পরিবার নিয়ে ওঠেন যদিও সেই ফ্ল্যাটে তাঁর জন্মদাতা মায়ের স্থান হয়নি।
এই গনির বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে, তিনি মসজিদ ও মাদ্রাসার অর্থ লুণ্ঠনের মূল কারিগর এবং অদৃশ্য শক্তির হয়ে কাজ করেন নিঃশব্দে। যখনই কোন অনিয়ম বা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে, তিনি কাগজপত্র ঘুরিয়ে, হিসাব মিলিয়ে এমনভাবে সব সামলে দেন যেন কোনও প্রমাণই অবশিষ্ট না থাকে।
স্থানীয় এক সূত্রের ভাষায়, “গনি সেই মানুষ, যে নামাজে ইমামের পেছনে দাঁড়ায় আর পিছনের কক্ষে টাকার হিসাব মিলিয়ে দেয়।” এই হিসাবি বুদ্ধি, চাতুর্য আর অদৃশ্য শক্তির ছায়ায় গনি আজও রয়ে গেছেন ধর্মীয় মুখোশের আড়ালে এক অপ্রতিরোধ্য খেলোয়াড়। মানুষকে হামলার হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা মামলার আতঙ্কে রাখে। তাদের নাম শুনলেই অনেকেই নীরব হয়ে যান। কারণ সবাই জানে, “মনির ও জসিমের নাম যেখানেই আসে, সেখানেই সত্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।” অদৃশ্য সেই শক্তির বলয় কেবল গনি, আনু–হালু, মনির–জসিম কিংবা আলমগীর–আলাউদ্দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বাইরেও রয়েছে এক অজানা স্তর যেখানে অসংখ্য মানুষ নীরবে যুক্ত। কেউ আদালত বা কোর্ট–কাচারিতে, কেউ ব্যবসা-বাণিজ্যের ভেতরে, কেউ বা রাজনীতি ও প্রশাসনের অন্দরমহলে সক্রিয়। প্রত্যেকে নিজ নিজ সেক্টর বা অবস্থান থেকে নিয়ন্ত্রণ করে একেকটি অংশ, যার ফলে পুরো চৌধুরীপাড়া এলাকা আজ কার্যত এক অদৃশ্য শাসনের আওতায়। এই বলয়ের মূলনীতি একটাই “যে কথা বলবে, প্রতিবাদ করবে; তাকেই চুপ করিয়ে দাও।” স্থানীয় সূত্রের ভাষায়, “ওই এলাকায় কেউ যদি অদৃশ্য সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তার জীবন ধ্বংস হয়ে যায়। আদালত থেকে থানা, কোথাও ন্যায়বিচার মেলে না।” এই প্রভাব এতটাই বিস্তৃত যে, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই অনেকে প্রকাশ্যে কিছু বলার সাহস পান না। কারণ সবাই জানে, একটি অদৃশ্য হাত আছে, যে চাইলে কাউকে উঁচুতে তুলতে পারে, আবার মুহূর্তেই সবকিছু শেষ করে দিতে পারে। ২০২২ সাল, তারপর ৯ আগস্টে ২০২৫’ র হামলার পরও হামলাকারীরা থামেননি। এর ধারাবাহিকতায় আজ ২০ অক্টোবর ২০২৫, বিকেল আনুমানিক দুইটার সময় বিএনপি’র রামপুরা থানা আহ্বায়ক দুলু ভাইয়ের পরিচয়ে নিজেকে পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি নাম রিপন, ভিকটিম আব্দুর রহিমের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহিমের দায়ের করা মামলার ৬ নং আসামি মোহাম্মদ রাসেল ওরফে গনি এবং তার সহযোগী মনির। তারা রিপনের সঙ্গে একত্রে হামলায় অংশ নেন। এই ঘটনায় নিউজ টুয়েন্টি বাংলা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল আহাদও হামলায় আহত হন। বর্তমানে ভিকটিম আব্দুর রহিম তার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কায় আছেন। উপরের যেসব নাম একে একে উঠে এসেছে তাদের কেউই নিজেরা এত শক্তিশালী নন যে, তারা অপরাধ করেও নির্বিঘ্নে পার পেয়ে যাবেন। তাদের ক্ষমতা, সাহস ও প্রভাব সবকিছুর উৎস এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত। আর সেই কেন্দ্রবিন্দুর নাম “নোমান।” স্থানীয়দের ভাষায়, নোমান দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পর্ক ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি এমন এক অবস্থান তৈরি করেন, যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এক রাতের নোটিশে শেখ জয়নূরুদ্দীন (রহ.) দারুল কুরআন মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের প্রিন্সিপালকে বহিষ্কার করাও তার জন্য অস্বাভাবিক কিছু নয়। মাদ্রাসার শিক্ষক না হলেও শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন করা তার কাছে ন্যায়সংগত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা জানি, আমরা দেখি কিন্তু কিছু বলতে পারি না। মসজিদ-মাদ্রাসার কারণে মানুষ এখনো তাকে শ্রদ্ধা করে, কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভয়ঙ্কর।” তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ বলেছেন, অন্যায় দেখলে বাধা দাও, না পারলে মুখে বলো, মুখে না পারলে অন্তরে ঘৃণা করো। আমরা এখন সেই তৃতীয় অবস্থায় শুধু চুপ করে আছি।” এক সময় তার বিরুদ্ধে মসজিদ–মাদরাসার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তবে অভিযোগ গোপন রাখতে তিনি পুলিশ, প্রশাসন এবং মন্ত্রী সব স্তরে প্রভাব খাটান আর খরচ করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকারও বেশি। সরকারের এমপি ও মন্ত্রীদের নিয়মিত দাওয়াত দিয়ে নূর মাদ্রাসা ও মসজিদে তাদের আতিথেয়তা দিতেন এবং সেই সূত্রে নিজের ক্ষমতার বলয় আরও শক্তিশালী করতেন। স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নূর মসজিদের মাইকে বিদ্বেষ ছড়িয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নিরীহ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছিলেন এই ইমামুদ্দিন নোমান। সেসময় বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর উপর হামলা চালানোরও অভিযোগ রয়েছে নোমানের বিরুদ্ধে। ২৪এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও যখন আওয়ামী রাজনীতির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি আইনের মুখোমুখি হয়েছেন, অথচ নোমানের নামে একটি মামলাও হয়নি। বরং তিনি আগের চেয়েও নির্ভয়ে নিজের ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, এই অবস্থান রক্ষা করতে তিনি ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা বিলিয়েছেন। কয়েক দফায় বড় বড় আপ্যায়নের আয়োজন করেছেন, যেখানে প্রতিবার খরচ হয়েছে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। এমনকি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তার বাড়ির ছাদ থেকে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠলেও কেউ সাহস করে মামলা করতে পারেনি। এমনকি তার সঙ্গে যুক্ত থাকা সকল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও এলাকায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বর্তমানে রামপুরা থানা যুবদলের আহবায়ক কামাল আহমেদ দুলুকে ম্যানেজ করে এলাকায় নিজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন নোমান। সূত্র মতে, এলাকা এবং নূর মসজিদ ও মাদ্রাসায় নিজের অবস্থান ধরে রাখতে উক্ত যুবদল নেতাকে ব্যবহার করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইউমের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন নোমান। এই লক্ষ্যে পূর্ব হাজীপাড়ার ইকরা মসজিদ সংলগ্ন বালুর মাঠে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন, বিএনপির নেতাদের সাথে মাঠে ক্রিকেট খেলা এবং নেতাদের সাথে ফটোসেশন করেন নোমান। পরবর্তীতে নিজের বলয়ে থাকা লোকদের মাধ্যমে এলাকাবাসীর মাঝে সেসব ছবি ছড়িয়ে আতংক ছড়াচ্ছেন ইমামুদ্দিন নোমান। এদিকে, স্থানীয় যুবদলের অনেক নেতাদের সাথে নোমানের এই ঘনিষ্ঠতাকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছেন না বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ হচ্ছে, বিগত ১৬ বছর এই গোষ্ঠীর হাতে বিএনপির মাঠ পর্যায়ের বহু নেতাকর্মী নির্যাতিত হয়েছেন, এলাকা ছাড়া হয়েছেন। আর এখন এদেরকেই আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে। এর জেরেই সম্প্রতি নূর মসজিদে এক অনুষ্ঠানে এসে বিপাকে পড়েন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইউম। দলীয় সূত্র মতে, সেদিন দলীয় নেতাকর্মীদের ঘোর আপত্তির মুখে এম এ কাইউম নোমানের সাথে ছবি না তুলেই ঘটনাস্থল ত্যাগে বাধ্য হন। বর্তমানে মূলত যুবদল নেতা কামাল আহমেদ দুলুর আশ্রয় প্রশ্রয়ে নোমানের নেতৃত্বে এই পুরো চক্র হাজীপাড়া ও চৌধুরীপাড়া এলাকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আছে। তাঁর নাম, প্রভাব ও সম্পর্কের বলয় ব্যবহার করে তারা এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছে, যেখানে অন্যায় যেন আর অন্যায় নয়, অপরাধ করলেও যেন কোনো শাস্তি নেই। তাঁর ছায়াতেই তারা শিখেছে কীভাবে আইনকে পাশ কাটাতে হয়, কীভাবে ভয় সৃষ্টি করতে হয় আর কীভাবে সত্যকে ঢেকে রাখতে হয়। নোমানের প্রভাবে আজ একটি পুরো অঞ্চল, একটি সমাজ, একটি প্রজন্ম নীরব হয়ে গেছে। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে এই অপরাধের শেষ কবে হবে? এই অদৃশ্য সিন্ডিকেটের অবসান কি কেউ ঘটাতে পারবে? বাংলাদেশে কি আজও সত্যিকারের তদন্ত ও ন্যায়বিচার, অদৃশ্য ক্ষমতার দেয়াল ভেদ করে সামনে আসতে পারবে?