ঢাকাSaturday , 14 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শুরু হচ্ছে শাবানা সপ্তাহ

Link Copied!

sabanaবিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র শাবানা। তার অভিনীত অসংখ্য ছবি দর্শকের মনে দাগ কাটে সময়ের গন্ডি ছাড়িয়ে। সাবলীল অভিনয় এবং জনপ্রিয়তায় আজও দর্শক হৃদয়ের অনন্য স্থানে আছেন শাবানা। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এটিএন বাংলায় শুরু হচ্ছে শুরু হচ্ছে শাবানা সপ্তাহ। তার অভিনীত চলচ্চিত্র দিয়েই সাজানো হয়েছে এই আয়োজন।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও জীবন্ত কিংবদন্তী চিত্র নায়িকা শাবানা। পুরো নাম আফরোজা বানু। ডাকনাম রত্না । জন্ম- চট্রগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে। বাবার নাম ফয়েজ চৌধুরী আর মা ফজিলাতুন্নেসা। ১৯৬২ সালে ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশু শিল্পী হিসেবে প্রথম অভিনয়। এরপর ১৯৬৩ সালে উর্দু ‘তালাশ’ ছবিতে নাচের দৃশ্যে অংশ নেন। তারপর বেশ কিছু চলচ্চিত্রে এক্সট্রা হিসেবে কাজ করেন। ‘আবার বনবাসে রূপবান’ এবং ‘ডাক বাবু’ সিনেমাতে তিনি সহনায়িকার কাজ পান। ১৯৬৭ সালে পরিচালক এহতেশাম এর ‘চকোরী চলচ্চিত্রে চিত্র নায়িকা হিসেবে সিনেমায় আবির্ভাব। প্রথম দিকে তিনি উর্দু সিনেমাতেই বেশি কাজ করেন।
লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ না থাকায় মাত্র ৯ বছর বয়সে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে। ১৯৬৭ থেকে পরবর্তী ৩০ বছর বাংলাদেশের অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ১৯৯৭ সালে শাবানা হঠাৎ চলচ্চিত্র-অঙ্গন থেকে বিদায় নেয়ার ঘোষণা দেন। এরপর ২০০০ সালে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তিনি ক্যারিয়ারের শীর্ষ অবস্থানে থেকে মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, রুমানিয়া ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালসহ আরো বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে  যোগ দিয়েছিলেন।
শাবানা এযাবতকালে মোট ১০ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৭ সালে তিনি প্রথম এই পুরস্কার পান ‘জননী’ সিনেমার জন্য। এরপর ১৯৮০, ১৯৮২, ১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৭, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৩ এবং ১৯৯৪ সালেও তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তাঁর অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে আছে ১৯৯১ সালে প্রযোজক সমিতি পুরস্কার, ১৯৮২ ও ১৯৮৭ সালে বাচসাস পুরস্কার, ১৯৮৪ সালে আর্ট ফোরাম পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে আর্ট ফোরাম পুরস্কার, ১৯৮৮ সালে নাট্যসভা পুরস্কার, ১৯৮৭ সালে কামরুল হাসান পুরস্কার, ১৯৮২ সালে নাট্য নিকেতন পুরস্কার, ১৯৮৫ সালে ললিতকলা একাডেমী পুরস্কার, ১৯৮৪ সালে সায়েন্স ক্লাব পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে কথক একাডেমী পুরস্কার এবং ঐ বছরই জাতীয় যুব সংগঠন পুরস্কার।
অসম্ভব জনপ্রিয় এই চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বের অভিনীত ছায়াছবি নিয়ে এটিএন বাংলায় শুরু হচ্ছে চলচ্চিত্র সপ্তাহ। ‘শাবানা চলচ্চিত্র সপ্তাহ’ শিরোনামে এই চলচ্চিত্র গুলো এটিএন বাংলায় প্রচার হবে রবি থেকে বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিট এবং বৃহস্পতি থেকে শনিবার দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে।
শাবানা সপ্তাহের প্রথম দিনে ১৫ মার্চ প্রচার হবে বেলাল আহমেদ পরিচালিত ‘ঘর আমার ঘর’ ছবিটি। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, আলমগীর, ইলিয়াচ কাঞ্চন, সুচরিতা প্রমুখ। ১৬ই মার্চ প্রচার হবে বাদল খন্দকার পরিচালিত ‘বিশ্বনেত্রী’। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, জসিম, আমিন খান, শাহনাজ। ১৭ মার্চ প্রচার হবে বেলাল আহমেদ এর ‘বন্ধন’। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, আলমগীর, চম্পা, ইলিয়াচ কাঞ্চন প্রমুখ। ১৮ মার্চ প্রচার হবে মোস্তফা আনোয়ার এর ‘বাংলার মা’। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, আলমগীর, অমিত হাসান, শাবনাজ প্রমুখ। ১৯ মার্চ প্রচার হবে মোঃ শাহাবুদ্দিন পরিচালিত ‘সন্ধান’। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, রাজ্জাক, রানী, রাজিব, সুজন প্রমুখ। ২০ মার্চ প্রচার হবে কামাল আহমেদ এর ‘ব্যাথার দান’। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, আলমগীর, দিলার প্রমুখ। শাবানা সপ্তাহের শেষ দিনে অর্থাৎ ২০ মার্চ প্রচার হবে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘ভাবীর সংসার’ ছায়াছবি। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানা, জসিম, সুনেত্রা, নাসরিন প্রমুখ।