ঢাকাSaturday , 14 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৬ উইকেটে জিতল ভারত

Link Copied!

india-11স্পোর্টস ডেস্ক : জিম্বাবুয়ের করা ২৮৭ রানকেও মামুলি বানিয়ে ছাড়ল ভারত। শুরুতে কয়েকটি উইকেট দ্রুত পড়লেও মহেন্দ্র সিং ধোনি আর সুরেষ রায়না মিলে ১৯৬ রানের জুটি গড়ে ৮ বল হাতে রেখেই ভারতকে ৬ উইকেটের জয় এনে দেন। একই সঙ্গে গ্রুপ পর্ব থেকে ৬ ম্যাচে ৬টি জয় নিয়েই কোয়ার্টারে পা রাখতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ১১০ রানে রায়না এবং ৮৫ রানে অপরাজিত থাকেন ধোনি।
একা এক তিনাশে পানিয়াঙ্গারার সামনেই চোখেমুখে অন্ধকার দেখতে শুরু করে দিয়েছেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। ২৮৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২১ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারিয়েছে ভারত।
রোহিত শর্মা শুরুটা করেছিলেন দুর্দান্ত। দুটি বাউন্ডারিতে ১৬ রানও নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত পানিয়াঙ্গারার বলে সিকান্দার রাজার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজ ঘরে ফেরেন তিনি। দলের রান তখন ২১।
এরই মধ্যে ধুঁকছিলেন শিখর ধাওয়ান। ২০ বল খেলে সংগ্রহ করেছেন মাত্র ৪ রান। রোহিত আউট হওয়ার একই ওভারের পঞ্চম বলে দলীয় ২১ রানেই আউট হয়ে গেলেন শিখর ধাওয়ান।
তবে তৃতীয় উইকেটে বিরাট কোহলি আর আজিঙ্কা রাহানে মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ে ভারতকে বিপর্যয় থেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু দলীয় ৭১ রানের মাথায় কাভার অঞ্চলে ঠেলে দিয়েই রান নিতে চেষ্টা করেন রাহানে। কিন্তু কোহলির সাড়া না পেয়ে ফিরে আসার মুহুর্তে রান আউট হয়ে ফিরে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ২৪ বলে ১৯ রানের একটি ইনিংসের অপমৃত্যু ঘটলো।
৪৮ বলে ৩৮ রান নিয়ে যখনই জিম্বাবুয়ের সামনে বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন বিরাট কোহলি, তখনই তাকে স্পিন দিয়ে কাবু করে দিল জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজার বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে গেলেনৈ কোহলি।
তবে পঞ্চম উইকেটে সুরেষ রায়না আর মহেন্দ সিং ধোনি মিলে ঠিকই ভারতকে নিয়ে এসেছেন জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দু’জন মিলে মাত্র ২৬ ওভার খেলে গড়েন ১৯৬ রানের জুটি।
সুরেষ রায়নাই ছিলেন সবচেয়ে বেশি বিধ্বংসী। ক্যারিয়ারে পঞ্চম সেঞ্চুরি পূরণ করার পথে খেলেন ৯৪ বল। বাউন্ডারির মার মারেন ৯টি এবং ছক্কা ৪টি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ১০৪ বলে ১১০ রানে। ধোনিও পার হয়েছে হাফ সেঞ্চুরির বাধা। শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৭৬ বলে ৮৫  রানে। ২ টি ছক্কা আর ৮ টি বাউন্ডারির মার ছিল তাতে।