বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টি টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের ফর্ম তেমন ভালো নয়। তার সামগ্রিক টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্সও অনেকটা অনুজ্জ্বল। তবে বাংলাদেশের অধিনায়ককে বেশি রান করতে দিতে চান না বলে জানিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। লিটনের যে প্রতিভা ও তার হাতে যত শট আছে, টি-টোয়েন্টি দারুণ কার্যকর ব্যাটসম্যান হওয়ার কথা তার। নিজের দিনে তিনি বেশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন বটে। তবে সমস্যা হলো, সেই দিনটি আসে কালেভদ্রে। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের এই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে তার শততম টি-টোয়েন্টি। অথচ ব্যাটিং গড় মোটে ২২.৪১, স্ট্রাইক রেট মাত্র ১২৪.৯২। ফিফটি কেবল ১১টি। সবশেষ ৯ ইনিংসে তার অর্ধশতক নেই, সবশেষ ২৭ ইনিংসে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন স্রেফ একবার। তবে লিটনের সামর্থ্যটা জানেন সালমান। সিরিজ শুরুর আগে লাহোরে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান অধিনায়ক বলেন, ‘ওদের অধিনায়ক লিটন দাস বেশ ভালো ব্যাটসম্যান। ও এমন একজন ক্রিকেটার, আমরা চাইব যাকে বেশি রান করতে না দিতে। অধিনায়ক যদি রান না করে, তাহলে ওদের মনোবল কমে যেতে পারে।’ পাকিস্তানের পরিকল্পনার অনেকটাজুড়ে আছে বাংলাদেশের পেস আক্রমণও। যদিও চোটের কারণে এই সিরিজে নেই সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। নিজে থেকেই সফরে যাননি তরুণ গতিতারকা নাহিদ রানা। তবে বাংলাদেশের পেস গভীরতাকে সমীহ করছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ‘বাংলাদেশ এখন যেভাবে ক্রিকেট খেলছে, ওদের পেস আক্রমণ বেশ ভালো। আগে দেখা যেত, ওদের এক-আধজন ভালো পেসার। এখন ওদের তিন-চার বোলার আছে, যারা বেশ ভালো। কোনো এক বোলারকে আমরা টার্গেট বানাইনি। সবাইকে নিয়েই পরিকল্পনা করেছি।’পাকিস্তানে যাওয়ার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অকল্পনীয়ভাবে সিরিজ হেরে গেছে বাংলাদেশ। এই সংস্করণে তাদের পারফরম্যান্স খুব ধারাবাহিক নয় কখনোই। তবুও মাঠে নেমে প্রতিপক্ষকে নিয়ে স্বস্তির কোনো সুযোগ দেখছেন না সালমান। ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো সিরিজই সহজ নয়। বাংলাদেশ বেশ ভালো দল। আমাদের চেষ্টা থাকবে, যে ধরনের ক্রিকেট আমরা খেলতে চাই, তা যেন খেলতে পারি এবং ভালোভাবে যেন সিরিজটা খেলতে পারি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো দলকে হারানোই সহজ নয়।’

