স্পোর্টস ডেস্ক : অসাধারণ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ! অবিশ্বাস্য!! বাংলাদেশের হয়তো কুমার সাঙ্গকারা নেই। কিন্তু মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ তো আছেন। টানা চারটি সেঞ্চুরি করে বিশ্বকাপ এবং ওয়ানডে ক্রিকেটে সাঙ্গাকারা ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারেন; কিন্তু মাহমুদুল্লাহই’বা পিছিয়ে কোথায়? ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের মত বিশ্বসেরা দুই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে টানা দুটি সেঞ্চুরি করলেন বাংলাদেশের ব্যাটিং নির্ভরতার প্রতীক।
বিশ্বকাপে আগে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কোন সেঞ্চুরিই ছিলো না। এমনকি মাহমুদুল্লাহরও না আগে। এবার শুধু সেঞ্চুরিই নয়, টানা দুটি সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড গড়ে ফেললেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ওয়ানডেতে টানা দুটি সেঞ্চুরির রেকর্ড অবশ্য রয়েছে এর আগে। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেছিলেন শাহরিয়ার নাফিস।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই হয়েছিলেন মহানায়ক। ওইদিনই প্রথমবারেরমত বিশ^কাপে বাংলাদেশকে সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ইংলান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ওই জয়ে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। হ্যামিলটনের সেডন পার্কে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যখন ২৭ রানে ২ উইকেট পড়ে গেল, তখন জ্বলে উঠল মাহমুদুল্লাহর ব্যাট। টানা দ্বিতীয়বারেরমত উপহার দিলেন সেঞ্চুরি।
দুই ওপেনারের ব্যার্থতার পর অসাধারণ ব্যাট করলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সৌম্য সরকারকে নিয়ে প্রথমে গড়েন ৯০ রানের জুটি। এরপর সাকিবের সঙ্গে ৩৪, মুশপিকের সঙ্গে ৩১ এবং সাব্বির রহমানের সঙ্গে গড়েন ৭৮ রানের জুটি। ৬৩ বলে প্রথমে পৌঁছান হাফ সেঞ্চুরির মাইলফলকে। ৫টি বাউন্ডারিতে সাজান হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস।
এরপর ১১১ বলে ৮ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় পৌঁছান টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির মাইলফলকে। শেষ পর্যন্ত ১২৮ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদুল্লাহ। ১২৩ বলে খেলা ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২টি বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কায়।

