ঢাকাTuesday , 10 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইবি বন্ধের সেঞ্চুরি ডে

Link Copied!

IUকুষ্টিয়া প্রতিনিধি : দীর্ঘ দিন ধরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। এরই ধারাবাহিকতায় দিন, সপ্তাহ, মাস গড়িয়ে মঙ্গলবার বন্ধের সেঞ্চুরি ডে তে পৌঁছেছে ইবি। টানা শতদিন বন্ধ থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচরীরা।
গত ৩০ নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ আছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাস খুলে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে ইবি প্রশাসন দফায় দফায় বৈঠক করলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌছাঁতে পারেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জনা যায়, বাস চাপায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুর রহমান টিটুর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গেলো বছরের ৩০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে ইবি প্রশাসন। ৩৭ দিন পর ৮ জনুয়ারি ক্যাম্পাস খুলে দেয় প্রশাসন। ক্যাম্পাস খুলে ক্লাস পরীক্ষা চালু হওয়ার আগেই ১০ জানুয়ারি অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আবারো অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ৩০ নভেম্বর থেকে বন্ধ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) আজ ১০ মার্চ শতদিন পূর্ণ হয়।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার জন্য শিক্ষার্থীদের বার বার মানববন্ধন ও আমরণ অনশণের ঘোষণা আমলে নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষা জীবন বিধস্ত হয়ে পরেছে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর। ইবি প্রশাসন দফায় দফায় বৈঠকে বসেও ক্যাম্পাস খুলতে ব্যর্থ হচ্ছেন বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ব্যপারে নানান জল্পনা কল্পনা উঠলেও তার কোনটি বাস্তবে রূপ নেয় নি। গত ১ মার্চ সকল বিশ্ববিদ্যারয় কর্তৃপক্ষর সঙ্গে ইউজিসির বৈঠক ও বৈঠক শেষে সকল বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জেনে ক্যাম্পাস খোলার সপ্ন দেখছিল ইবির ১৪ হাজার শিক্ষার্থী। সে আশাও গুড়ে বালি। ইউজিসির বৈঠক শেষে ক্যাম্পাস খুলে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দফায় দফায় বৈঠক করে ঠিকই কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।
একশ দিনেও ক্যম্পাস না খোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এটা বলতে আমার লজ্জা করে। বিশ্বদ্যিালয়ের দুর্বল প্রশাসন আমাদের ভবিষ্যৎকে গহীন অন্ধারে ঠেলে দিয়েছে। প্রশাসন সর্বদা ট্রান্সপোর্টের খোড়া অজুহাত দিয়ে নিজেদের দুর্বলতাকে ডেকে রাখার চেষ্টা করছে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার বলেন, ‘আমাদের দু’টি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলতে হয় ট্রান্সপোর্ট এবং হল কেন্দ্রীক একটা সমস্যা। আলোচনা চলছে, আশা করছি দ্রুত ক্যম্পাস খুলতে পারব।’