ঢাকাSunday , 8 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ

Link Copied!

bangladeshস্পোর্টস ডেস্ক : ইতিহাসে ঢুকে পড়ার ক্ষণ গুনছে বাংলাদেশ। কি সেই ইতিহাস? ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পাবে বাংলাদেশ। যা হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সাফল্যের নতুন সংযোজন। তবে বিশ্বকাপে এর আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার অভিজ্ঞতা আছে টাইগারদের। যা করে দেখিয়েছিলেন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ২০০৭ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে উঠে গিয়েছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে অর্থাৎ সুপার এইটে (এই পর্বে মোট সাতটি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ)। এবারও অনেকেই বলছে সুপার এইট, তবে তা কোয়ার্টার ফাইনাল, যেখানে হারলেই বিদায়। সোমবার ইংল্যান্ড বাধা টপকাতে পারলেই বাংলাদেশের সামনে উন্মুক্ত হয়ে যাবে শেষ আটের দরজা।
বাংলাদেশ হেরে গেলেও স্বপ্ন বেঁচে থাকবে। তবে অ্যাডিলেড ওভালে ইংল্যান্ড হারলে ওখানেই শেষকৃত্য হয়ে যাবে তাদের বিশ্বকাপ। আফগানিস্তানের সঙ্গে পরের ম্যাচটি হবে তাই ইংলিশদের জন্য শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় মহাগুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচের দিকে চোখ থাকবে গোটা ক্রিকেট দুনিয়ার।
জেমস অ্যান্ডারসন, স্টুয়ার্ট ব্রড, স্টিভেন ফিন এবং ক্রিস ওকস নিয়ে ইংল্যান্ডের পেস চতুষ্টয়ের আক্রমণকে ভাবা হয়েছিল সবচেয়ে বিপজ্জনক হিসেবে। কিন্তু দিন যত গড়িয়েছে ততই তাদের কঙ্কাল বেরিয়ে এসেছে! প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর তাদের হারতে হয়েছে নিউজিল্যান্ড-শ্রীলংকার কাছেও। একমাত্র জয় এসেছে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। দুই পয়েন্ট পাওয়া ইংলিশদের অবস্থন পয়েন্ট টেবিলের পাঁচ নম্বরে।
ইংল্যান্ডের তথৈবচ অবস্থায় পড়ায় মুন্ডুপাত কম হচ্ছে না। তাদেরকে নিয়ে খড়গহস্ত হয়েছেন সাবেকরা। তার মানে বাংলাদেশ ম্যাচের আগে ইংলিশদের আহত ‘বাঘ’ বলাই যায়! অন্যদিকে বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত দুটি জয় পেয়ে বেশ খোশমেজাজেই আছেন মাশরাফিরা। তারওপর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩১৯ রান তাড়া করে জিতে গেছে বাংলাদেশ।
যেটা আবার বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। এতকিছুর পর বাংলাদেশ দলপতি মাশরাফির কন্ঠে কিন্তু সাবধান বাণী, ‘ইংল্যান্ডের মত অভিজ্ঞ একটি দল ভাল করেই জানে কিভাবে চাপের ম্যাচে খেলতে হয়। বিশ্বকাপ খেলতে আসার আগে আমাদের লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তান-স্কটল্যান্ডকে হারানো সঙ্গে দু-একটি বড় দলকে। আমরা সে লক্ষ্যপুরণের খুব কাছাকাছি। এখন চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে আমরা আদৌ কাঙ্খিত সে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব কি-না?’
তবে অতীত ইতিহাস কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলছে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চোধুরী স্টেডিয়ামে এই ইংল্যান্ডকেই ২ উইকেটে পরাজয়ে স্বাদ উপহার দিয়েছিল বাংলাদেশ ২০১১ বিশ্বকাপে। সেই ম্যাচে হঠাতই ব্যাটসম্যান হয়ে গিয়েছিলেন বোলার শফিউল ইসলাম। সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ইমরুল কায়েস। দু’জনই কাকতালীয়ভাবে এবারের বিশ্বকাপে পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসাবে জায়গা পেয়েছেন। তবে মাশরাফি অতীত স্মৃতি রোমন্থন করতে চান না। তার ভাষায়, ‘চার বছর আগের স্মৃতি টেনে এনে কোন লাভ নেই। ওই জয় আমাদের মাথায় নেই। চার বছর অনেক বড় সময়। দু’দলে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আমাদের বর্তমান এবং খেলা নিয়েই ভাবতে হবে।’