ঢাকাTuesday , 7 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংস্কার শেষে ট্রাইব্যুনালের মূল ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধান বিচারপতি

Link Copied!

জুলাই বিপ্লবে সংগঠিত গণহত্যার বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল ভবন ও এজলাস কক্ষ সংস্কার শেষে উদ্বোধন করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মঙ্গলবার দুপুরে সংস্কার করা পুরতন হাইকোর্ট ভবনটি উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, অন্যান্য বিচারপতি, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটরা। উদ্বোধনের পর এজলাস কক্ষ ঘুরে দেখেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি রেফাত আহমেদ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংস্কারকৃত মূল ভবন ও এজলাস কক্ষ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নতুন যুগের সূচনা হলো। এই ভূখণ্ডের বিচার বিভাগীয় ইতিহাসে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি ‘ঢাকা হাইকোর্ট’ বা ‘পুরাতন হাইকোর্ট ভবন’ হিসেবে যে মহান ঐতিহ্য ধারণ করে আছে, ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচারের শ্বাশ্বত নীতিসমূহের অনুসরণের মাধ্যমে তা নতুন মাত্রায় পূর্ণতা পাবে। প্রধান বিচারপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতি প্রত্যাশ ব্যক্ত করে বলেন, যে একজন সাধারণ নাগরিক তার হৃদয় উৎসারিত অকৃত্রিম চেতনাবোধ থেকে সমগ্র জাতির নৈতিক সমর্থনপুষ্ট একটি গণজোয়ার রুখতে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতি যে প্রত্যাশা রাখেন-তিনিও ঠিক অনুরূপ প্রত্যাশা রাখেন। এদিকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার সুষ্ঠুভাবে করার জন্য যা যা করার দরকার সবই করা হয়েছে। এই বিচারে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সহযোগিতা লাগলে করা হবে। এ সময় ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালেই এ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছিলো। পরবর্তীতে নানান চিঠি চালাচালি হলেও তৎকালীন সরকার সংস্কারের কাজে হাত দেয়নি। গত জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে আমরা যখন ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব নেই আমরা এটা পরিদর্শন করে দেখতে পেলাম ভবনটি ব্যবহার সম্পূর্ণ অনূপোযোগী হয়ে গিয়েছিলো। তাই আমরা টিনশেড ভবনেই বিচারিক কাজ সম্পন্ন করে আসছিলাম। কিন্তু জুলাই বিপ্লবে সংগঠিত গণহত্যার এই আন্তর্জাতিক মানের বিচারের জন্য টিনশেড ভবনটি অশোভনীয় মনে হওয়ায়, আমরা তাৎক্ষনিকভাবে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সরকার আমাদের আহব্বানে সাড়াদিয়ে সংষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৮ই অক্টোবর গণপূর্ত বিভাগ ও মন্ত্রণায়ের প্রকৌশলীরা ‘পরিত্যক্ত’ ভবনটি অত্যান্ত পরিশ্রম করে সংষ্কার কাজ সম্পন্ন করে ভবনটি ‘ব্যবহার উপযোগী’ করে গড়ে তোলেন। এ সময় চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতি প্রধান বিচারপতি প্রত্যাশার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। প্রধান বিচারপতির প্রত্যাশা ও জাতির যে প্রত্যাশা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনাল তা পূরণ করতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।